আজ ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ৩০শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ এবং ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

লালমনিরহাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

লালমনিরহাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট
ছবি- বিডিহেডলাইন্স

বিপুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার।।

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে লালমনিরহাটে গত কয়েকদিন জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বাড়ছে পশুর আমদানি ও স্থানীয় সাধারণ ক্রেতাসহ গরু ব্যবসায়ীদের আনাগোনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে ঈদের হাট।

লালমনিরহাট জেলার অন্যতম পশুর হাট হিসেবে পরিচিত দুড়াকুটিহাট, নবাবেরহাট (বিডিআরহাট), নয়ারহাটসহ বিশেষ করে ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে বুধবার বড়বাড়িরহাটে হরেক নামে বিশাল আকৃতির গরু নিয়ে এসেছেন বিক্রেতারা। সপ্তাহে একদিন হাট বসে বড়বাড়িতে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে কেনাবেচা । দেখা গেছে দেশীয় গরুর পাশাপাশি শাহীওয়াল, ফ্রিজিয়ানসহ বিভিন্ন জাতের গরু ও মহিষ বেচাকেনা হয়ে থাকে এই হাঁটে।

জেলার অন্যতম এই পশুর হাটগুলো জমে ওঠে বিভিন্ন জায়গা থেকে আগত যেমন ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলার গরু ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে। খামারি ও ব্যাপারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, এবার হাটে অপেক্ষাকৃত ছোট গরুর চাহিদা বেশি।

একাধিক ক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিগত সময়ের চেয়ে এ বছর গরু, মহিষের দাম স্বাভাবিক সময়ের থেকেও বেশি। স্থানীয় গরু খামারি ও বিক্রেতাদের দাবি, গো-খাদ্যের দাম বাড়ায় পশুপালনে খরচ বেড়েছে। সর্বোপরি বাজারের উচ্চ মূল্য সব কিছুর দাম বেশি হযওয়ায় গরুর দামও একটু বেশি।

বড়বাড়ি হাটে গরু বিক্রি করতে এসে লালমনিরহাট সদরের গরু খামারি মোঃ সোলায়মান হোসেন বিডি হেডলাইন্সকে বলেন, আমি এবার ৯টি গরু হাটে তুলেছি কিন্তু মাত্র তিনটি গরু বিক্রি করেছি। তাতে যা বুঝলাম এবার ছোট গরুর চাহিদা বেশি। তিনটি গরু বিক্রি করে কত টাকা লাভ হতে পারে এমন প্রশ্নের উত্তর তিনি বলেন, লাভ হবে তবে সীমিত, যতটা আশা করেছিলাম ততটা হবে না। তিনি আরো বলেন, চোরাই ভাবে ভারতীয় কিছু গরু হাটে উঠেছে তাই লাভ অনেক খানি কমে গেছে।

কোরবানি ঈদকে কেন্দ্র করে গরু কিনতে আসা লালমনিরহাট সদর উপজেলা হাফিজুর রহমান বলেন, কোরবানির ঈদের জন্য গরু কিনতে এসেছি ভাগে গরু কিনবো তাই তিনজন এসেছি। বাজার ঘুরে দেখলাম গরুর দাম মোটামুটি বেশি। তবে গরুর আকার ও ওজন অনুযায়ী আমরা যে আনুমানিক দাম নির্ধারণ করে থাকি, তাতে গরুর দাম বেশি বলে মনে হচ্ছে আমার কাছে।

কোরবানির পশুর হাটগুলোকে কেন্দ্র করে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও উপজেলা পর্যায়ে ভ্যাটেনারি মেডিকেল টিম রয়েছে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে। ভ্যাটেনারি ফিল্ড এসিস্ট্যান্ট অফিসার মোঃ সুলতানুল আরিফিন বলেন, আমরা লালমনিরহাটের সব গরুর হাট গুলোতে ক্যাম্পিং করতেছি। কোন ক্রেতার কোন গরুকে নিয়ে সন্দেহ থাকলে যদি আমাদেরকে অবগত করে, সেই গরুটি আমরা চেকাপ করে দেখি। আর কোনো রোগ আছে কিনা বা ইত্যাদি কোন সমস্যার বিষয়ে ক্রেতাকে অবগত করে থাকি।

এদিকে হাটের ইজারাদার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, হাটের সার্বিক নিরাপত্তায় অনেক রকমের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যেন ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কেউ কোন কারণে প্রতারিত না হয় ।

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights