।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে হাইব্রিড শাসন চালানোয় অভিযুক্ত করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ স্বীকার করেছেন, সেনাবাহিনীর সমর্থন ছাড়া তার সরকার চালানোও সম্ভব নয়। বৃহস্পতিবার জিও নিউজে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেন।
উপস্থাপক হামিদ মির উল্লেখ করেন, আজকের দুনিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত হাইব্রিড শাসনের উদাহরনের মধ্যে পাকিস্তান আছে। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার প্রতি অতি নির্ভর করেছিলেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইমরান খানও তার মেয়াদে সেনাবাহিনীর সমর্থন পেয়েছেন। অন্যদের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তোলা সত্ত্বেও তার সরকানে বিভিন্ন উপাদানের মিশ্রণ ছিল। প্রতিটি সরকারেরই সামরিক বাহিনীসহ গুরুত্বপূর্ণ খাত থেকে সমর্থন প্রয়োজন।
এর আগে পৃথক এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক আম্মার মাসুদকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন তারবার্তা ফাঁস হওয়ার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইন্টারসেপ্ট তারবার্তাটি ফাঁস করে বলেছে গত বছরের ৭ মার্চ ওয়াশিংটনে নিযুক্ত তৎকালীন পাকিস্তানি রাষ্ট্রদূত আসাদ মাজিদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ব্যুরোর সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর বৈঠক হয়। বৈঠকে লু বলেন, ‘আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর (ইমরান খান) বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব সফল হলে ওয়াশিংটন সবাইকে ক্ষমা করে দেবে। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, এই কথিত কথোপকথনের বিস্তারিত ‘গোপন তারবার্তা’ ইসলামাবাদে পাঠিয়েছিলেন মাজিদ। এরপরই আস্থাভোটে হেরে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান।
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ বলেন, ওই বার্তার বিষয়বস্তু যদি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদপত্রে প্রকাশ হয় আর প্রমাণিত হয় এটা সত্য তাহলে এটা বড় ধরনের অপরাধ। ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব অস্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ পাল্টা অভিযোগ তোলেন, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতা নিজেই প্রথমে এই ষড়যন্ত্রের কথা তোলেন। পরে তা থেকে সরে যান।






















