।।নিজস্ব প্রতিরোধক।।
আজ যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যানের ৩য় মৃত্যু বার্ষিকী। নুরুল ইসলাম বাবুল গত ১৩ জুলাই ২০২০ সালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। ১৪ জুন ২০২০ সালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তার কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
নুরুল ইসলাম ৩ মে ১৯৪৬ সালে ঢাকার নবাবগঞ্জের চুড়াইন ইউনিয়নের কামালখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আমজাদ হোসেন ও মাতা জোমিলা খাতুন। বাবুলের স্ত্রী সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, ঢাকা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও একাদশ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদ সালমা ইসলাম। তার সন্তানেরা হলেন, শামীম ইসলাম, রোজালিন ইসলাম, মনিকা ইসলাম এবং সনিয়া ইসলাম। সন্তানেরা বর্তমানে যমুনা গ্রুপের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নুরুল ইসলাম বাবুল মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৪ সালে তিনি যমুনা গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৫ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানে বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশের উৎপাদন শুরু হয়। বস্ত্র, ইলেকট্রনিক, ওভেন গার্মেন্টস, রাসায়নিক, চামড়া, পানীয়, টয়লেট্রিজ, মোটরসাইকেল এবং আবাসন খাতে তার ব্যবসা ছিল। তিনি যমুনা ফিউচার পার্ক, বাংলা দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ও যমুনা টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। ২০০২ সালে তিনি যমুনা ফিউচার পার্ক স্থাপনার কাজ শুরু করেন।
তিনি তার অনেক স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগেই আকস্মিকভাবে অকালে চিরবিদায় নিয়েছেন। আমি আশা করব, তার উত্তরসূরিরা তার স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখবেন। তরুণ উদ্যোক্তারা নুরুল ইসলামকে অনুকরণ করলে তারা দ্রুত প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে এবং দেশের কল্যাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।






















