শাহীন মাহমুদ রাসেল
কক্সবাজার প্রতিনিধি।।
শহরের অবৈধ দখল উচ্ছেদ শুরু করেছে কক্সবাজার পৌর প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শুরু হওয়া অভিযানে ২ ঘণ্টায় শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদের পাশাপাশি অবৈধ পার্কিং করা অর্ধশত মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
পৌর মেয়র মো. মাহাবুবুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গণের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সড়ক থেকে অভিযান শুরু হয়। অভিযানটি হাসপাতালের মোড় হয়ে ভোলাবাবুর পেট্টোলপাম্প, পুরাতন পান বাজার সড়ক, কৃষি অফিস সড়ক হয়ে প্রধান সড়কের ফজল মাকের্ট এলাকা গিয়ে শেষ হয়।
অভিযানে ফুটপাত দখল করে স্থাপনা করে দোকান পরিচালনা করা শতাধিক স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়। একই সঙ্গে হাসপাতাল মোড়ের বেসরকারি ক্লিনিক সংলগ্ন সড়কে অবৈধভাবে পাকিং করা অর্ধশত মোটর সাইকেল জব্দ করা হয়।
অভিযানে কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার সালাম, প্যানেল মেয়র-১ সালাউদ্দিন সেতু, কাউন্সিলর মিজানুর রহমান ও এহেসান উল্লাহসহ অন্যারা উপস্থিত ছিলেন।
মেয়র মো. মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী বলেন, দুইদিন ধরে কক্সবাজার শহরে মাইকিং করে সকল প্রকার অবৈধ দখলদারদের স্বেচ্ছায় দখল ছেড়ে দেওয়ার আহহ্বান জানিয়ে প্রচারণা চালানো হয়েছিল। তারপরও সরিয়ে না নেওয়া স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। প্রথম দিন অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা হাসপাতাল এলাকাকে প্রধান্য দেওয়া হয়েছে। এখানে প্রতিদিন অসংখ্যা রোগীর আসা-যাওয়া। সড়কটির উভয় পাশের ফুটপাত দখল করে দোকান, গাড়ি পাকিং, এ্যাম্বুলেন্স পাকিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষও চলাচল করতে পারে না। এসব সরিয়ে নেওয়া হয়।
অভিযান অব্যাহত রাখা হবে জানিয়ে মেয়র বলেন, পৌরসভার সকল নালা-নর্দমা, জমিও দখল মুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে উচ্ছেদ করার পর নতুন করে যাতে দখল না হয় তার জন্য ৩টি মনিটরিং কমিটি করা হয়ে। যখন দখল তখন উচ্ছেদ চালানো হবে। প্রয়োজনের সন্ধ্যা ও রাতে এ অভিযান চলবে।
কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার সালাম বলেন, অভিযানে জব্দ করা মোটর সাইকেল সংশ্লিষ্ট আইনে জরিমানা প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে ফের একই অপরাধ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে শহরের হোটেল-মোটেল জোনে অনুমোদন ব্যত্যয়কৃত ভবনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক)। বৃহস্পতিবার সকাল ১১ থেকে দুপুর আড়াই টা পর্যন্ত এই অভিযানে নেতৃত্বে দেন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবুল হাসেম।
জানা গেছে, ডলফিন মোডের ০২ টি ভবনের ব্যত্যয়কৃত অংশ ভেঙে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অরেকটি ভবনকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই উচ্ছেদ কার্যক্রমে কউকের অথরাইজড অফিসার ও ইমারত পরিদর্শকগণ এবং কক্সবাজার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও আনসার সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।





















