মো. লিটন হোসেন লিমন
নাটোর প্রতিনিধি।।
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিক রাজিকুল ইসলাম পাপ্পু নামে এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে অনশনে বসেন এক কলেজ ছাত্রী। এসময় অনশন অবস্থায় মারধরের শিকার হয়ে ওই ছাত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সোমবার(২৮ আগস্ট) উপজেলার পাঁকা-সোলইপাড়া গ্রামে অনশন অবস্থায় এ ঘটনা ঘটে। প্রেমিক রাজিকুল ইসলাম পাপ্পু উপজেলার পাঁকা-সোলইপাড়া গ্রামের মোস্তফা ইসলামের ছেলে এবং সে একজন পুলিশ সদস্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল থেকে প্রেমিক পাপ্পুর বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছিলেন এক কলেজ ছাত্রী। এসময় বাড়ির লোকজন ওই কলেজ ছাত্রীকে মারধর করে তার মোবাইল ফোন কেঁড়ে নেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে ওই কলেজ ছাত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
কলেজ ছাত্রী তরুণী জানান, নয় মাস আগে রাজিকুল ইসলাম পাপ্পুর সঙ্গে পরিচয়। পরবর্তীতে তাদের মধ্য প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক রূপ নেয় দৈহিক সম্পর্কে। কিছুদিন আগে প্রেমিক পাপ্পুকে বিয়ের জন্য চাপ দেয় ওই কলেজ ছাত্রী। কিন্তু প্রেমিক পাপ্পু বিয়েতে রাজি না হয়ে নানা টালবাহানা করতে থাকে। পরে তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে টাকা দিয়ে আপসের চেষ্টা করে। আমি বাধ্য হয়ে সোমবার সকাল থেকে তার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেছি। বাড়ির গেটের সামনেই অনশন চালিয়ে যেতে থাকি। এসময় বাড়ির লোকজন আমাকে মারধর করে। পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
অভিযুক্ত রাজিকুল ইসলাম পাপ্পু বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ সঠিক নয়। তিনিও আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে আপোষ মিমাংশা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সমাধান না হওয়ায় ওই কলেজ ছাত্রী নিরুপায় হয়ে অনশন করেন।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়া মডেল থানার কর্মকর্তা (ওসি) শফিউল আযম খাঁন বলেন, এ ঘটনায় কলেজ ছাত্রীর একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।





















