আজ ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ৩০শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ এবং ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

বাংলাদেশে কোভিড-পরবর্তী প্রবৃদ্ধিতে অস্ট্রেলিয়া, আইএফসি ৫০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করবে

বাংলাদেশে কোভিড-পরবর্তী প্রবৃদ্ধিতে অস্ট্রেলিয়া, আইএফসি ৫০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করবে

।।নিজেস্ব প্রতিবেদক।।

বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই বেসরকারি বিনিয়োগ প্রবাহের জন্য আরও সুযোগ তৈরিতে সহায়তার জন্য আইএফসি ও ঢাকাস্থ অস্ট্রেলীয় হাইকমিশন একটি নতুন প্রকল্পে যৌথভাবে অংশীদারিত্ব করেছে। আজ এখানে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ইকোনমিক এনগেজমেন্ট প্রোগ্রাম-প্রাইভেট সেক্টর ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (বিইইপি-পিএসডিপি) প্রকল্প কোভিড-১৯ মহামারীর পরে উদীয়মান চাহিদাকে সহায়তা করবে এবং মূল প্রবৃদ্ধি খাতে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগের লক্ষ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সহিষ্ণুতা ও অন্তর্ভুক্তি উন্নীত করবে।

এ সহযোগিতা বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং অংশীদারদের কৌশলগত অগ্রাধিকারের সাথে সঙ্গতি রেখে বেসরকারি খাতকে পুনরুজ্জীবিত করবে এবং কোভিড-১৯ মহামারী থেকে টেকসই পুনরুদ্ধারের সুবিধার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে। অনুষ্ঠানে ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার বলেন, ‘এ অংশীদারিত্বটি অর্থনৈতিক নীতি সমর্থন, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক বেসরকারি খাতের উনয়নে আমাদের আমাদের আন্তরিকতা তুলে ধরে।

তিনি বলেন, একসাথে কাজ করার মাধ্যমে কোভিড-১৯ এর প্রভাব থেকে টেকসই এবং সুষ্ঠু পুনরুদ্ধার সম্ভব। বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের জন্য আইএফসি কান্ট্রি ম্যানেজার মার্টিন হোল্টম্যান বলেন, ‘এই প্রকল্পটি কোভিড-১৯ মহামারীর পরে উদ্ভূত নতুন প্রয়োজনীয়তার সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সাথে সাথে বাংলাদেশে আমাদের শক্তিশালী ট্র্যাক রেকর্ড গড়ে তুলবে।
বিইইপি-পিএসডিপি প্রকল্পটি ২০২৩ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত চলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর লক্ষ্য হওেলা- প্রতিযোগিতা ও বৈচিত্রের উন্নয়ন, অ্যাক্সেস ও অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ, কৃষি ব্যবসা ও আবাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে স্থায়িত্ব¡ ও সহিষ্ণুতা উন্নয়ন।

হোল্টম্যান যোগ করেন, ‘এ প্রকল্প ব্যবসায়িত পরিবেশ উন্নয়ন এবং আর্থিক অ্যক্সেস এবং বিশেষ করে মহিলাদের অন্তর্ভুক্তি উদ্বুদ্ধকরণে যেসব সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করবে সে সম্পর্কে আমরা খুবই আশাবাদী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য রাখে এবং বেসরকারি খাতের সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি শিক্ষা এবং প্রত্যক্ষ্য বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে।

প্রকল্পটি তিনটি স্তম্ভের অধীনে অংশীদারিত্বমূলক উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি সংলাপ ও সহযোগিতা উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। প্রথম স্তম্ভটি বিশেষ করে কোভিড-১৯ প্রভাবিত সেক্টরগুলোতেআরও অন্তর্ভুক্তিমূলক বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ করার জন্য ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করতে আইন ও বিধি-্রবিধান সংস্কারের দিকে মনোনিবেশ করবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর অন্যতম লক্ষ্য হলো নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগ তৈরি। দ্বিতীয় স্তম্ভটি আর্থিক খাতে প্রবেশাধিকার ও অন্তর্ভুক্তি উন্নত করবে। প্রকল্পটি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি উন্নয়নে এবং একটি সবুজ আর্থিক খাতে রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। এর মধ্যে নারী ঋণগ্রহীতা এবং যাদের ব্যাঙ্কিং পরিষেবাগুলোতে সীমিত অ্যাক্সেস রয়েছে তাদের ওপর বিশেষ ফোকাসসহ অর্থের অ্যাক্সেস বাড়ানোর জন্য নতুন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক পণ্যগুলি প্রবর্তন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তৃতীয় স্তম্ভটি প্রথম দুটি স্তম্ভের সুযোগের বাইরে পড়ে এমন কৌশলগত সুযোগগুলো কাজে লাগাবে।

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights