আজ ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ এবং ১২ই শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

বিডিহেডলাইন্সে প্রচারিত ‘মাদ্রাসা ছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা ভুল রিপোর্ট’ তদন্তে কমিটির তদন্ত সম্পূর্ণ

বিডিহেডলাইন্সে প্রচারিত ‘মাদ্রাসা ছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বা ভুল রিপোর্ট’ তদন্তে কমিটির তদন্ত সম্পূর্ণ

মোসাদ্দেকুর রহমান সাজু
ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি।।

ডাক্তারের ভুল চিকিৎসা ও পরিক্ষায় এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে অন্তঃসত্তা হিসেবে ভুল রিপোর্ট প্রদান করায় ১২জুন “বিডি হেডলাইন্স” পত্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নড়ে চড়ে বসে ডাক্তার ও এলাকার বিজ্ঞ মহল। তারই প্রেক্ষিতে সঠিক বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রকাশ করার কল্পে আজ গঠিত হয় তদন্ত কমিটি।

খবরে বলা হয়, নীলফামারীর ডোমারে গত ১২ জুন ১৩ বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রীর আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে অন্তঃসত্ত্বার ভুল রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার বিকালে জেনারেল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন সম্পন্ন করেন।

উক্ত তদন্ত কমিটির প্রধান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডাঃ নাহিদা তাসনিম হিমির নেতৃত্বে অন্য সদস্যরা হলেন,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমওডিসি ডাঃ কামরুল ইসলাম নোবেল, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ আল-আমিন রহমান ও নার্সিং ইনচার্জ আকলিমা আক্তার।

আরও পড়ুনঃ  ডাক্তারের ভুল রিপোর্টে মাদ্রাসা ছাত্রী গর্ভবতী

তদন্ত পরিচালনা কমিটির প্রধান ডাঃ নাহিদা তাসনিম হিমি বলেন, আমরা তদন্ত করেছি। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমওডিসি ডাঃ কামরুল হাসান নোবেল বিডি হেডলাইন্সকে বলেন, আমরা তদন্ত করেছি। কি পেয়েছি না পেয়েছি সেটা আমরা তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ পূর্বক আমাদের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জমা দিব। তারপর তারা কি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন সেটা তাদের বিষয়।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রায়হান বারী বিডি হেডলাইন্সকে বলেন, কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য যে, গত ১২ জুন বিকেলে ক্লিনিকটিতে পেটের ব্যথার চিকিৎসার জন্য ১৩ বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রী চিকিৎসা নিতে এলে চিকিৎসক তাকে কিছু মেডিকেল পরীক্ষা করতে বলেন। এরপর ক্লিনিকের লোকজন তাদের ক্লিনিকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও প্রস্রাব পরিক্ষা করেন। অতঃপর পরিক্ষা নিরিক্ষার পর রিপোর্টে লিখেন কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা। এরপর পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হলে স্বজনেরা অন্য দুটি ক্লিনিকে গিয়ে একই পরীক্ষা করেন এবং সেখানকার রিপোর্টে জানতে পারেন, মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা নয়। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে জেনারেল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি ৩ ঘন্টা অবরোধ করে রাখেন রোগীর আত্মীয় ও এলাকাবাসী।

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights