আজ ২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ এবং ১৬ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

দাকোপে রাস্তার বেহাল দশা

  • In সারাবাংলা
  • পোস্ট টাইমঃ ২ জুলাই ২০২৩ @ ০৪:৫১ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ২ জুলাই ২০২৩@০৪:৫৩ অপরাহ্ণ
দাকোপে রাস্তার বেহাল দশা
ছবি- বিডিহেডলাইন্স

।।দাকোপ প্রতিনিধি।।

খুলনার দাকোপ উপজেলার অনেক জায়গায় এখনও সেই নরম কাঁদা মাটির রাস্তা, কর্দমাক্ত ও চলাচলের অনুপযোগী রাস্তা দেখা যায়। খুলনার দাকোপে অনেক এলাকায় এখনো অল্প বৃষ্টি হলেই বন্ধ হয়ে যায় সকল যানবাহন। এমন কি রাস্তায় চলা ফেরা করতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হয়।

এমন দৃশ্য দাকোপ উপজেলার কামারখোলা ইউনিয়ন, সুতারখালী ইউনিয়ন ও দাকোপ ইউনিয়নের কিছু এলাকায় দেখা গেছে। কামারখোলা ইউনিয়নের দাকোপ খেওয়াঘাট পার হলেই একধারে সুতারখালী ইউনিয়নের শেষ কালাবগী সুন্দরবন এলাকার ঝুলন্তপাড়া নামক স্থান পর্যন্ত। পুরো কাঁচা কাঁদা মাটির তৈরি রাস্তা। এরা রাস্তা দিয়ে দু ইউনিয়নের জনসাধারণের চলাচলের এক মাত্র রাস্তা।

সুতারখালী ও কামারখোলা ইউনিয়নে সরজমিনে উপস্থিত হয়ে দেখা যায়, মটর সাইকেল, ইজিবাইক, টমটমসহ বিভিন্ন যান চলাচল করে এ কাঁচা কাঁদা রাস্তা দিয়ে। কিন্তু সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই বিপাদে পড়তে হয় এলাকার জনগনের। সকল যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তখন এলাকার জনগনের চলাচলের একমাত্র উপায় থাকে নদী পথে ট্রালারে। এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা যায়, কেউ যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন তাকে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করার ব্যবস্থা করা হবে, সেটাও খুব কঠিন হয়ে পড়ে। আবার যদি গুরুত্বপূর্ণ ডেলিভারি, জরুরী কোন রোগী থাকে অনেক সময় পথেই তার মৃত্যু ঘটে। এলাকার এক সাবেক ইউপি সদস্য বলেন, দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে কালাবগীর দূরাত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার এবং কামারখোলা ইউনিয়নের দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার। পুরো রাস্তা কাঁচা কাঁদা মাটির। বৃষ্টি হলেই কোন অসুস্থ ব্যক্তি বা কোন রোগীকে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে হলে অনেকটা অসাধ্য হয়ে পড়ে। তাছাড়া মাঝে মাঝে অনেক সময় শোনা যায় দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়ার পথে রোগীর মৃত্যুর খবর। এলাকাবাসী বলেন, এমপি মহাদয়, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও রাজনৈতিক নেতারা যদি রাস্তার বিষয় একটু খেয়াল করেন। তাহলে রাস্তা পাকা হলে দূর হতো কাঁদা মাটির খেলা। কিন্তু কেউ এ বিষয় নিয়ে কথা বলেও না।

এ বিষয় দাকোপ ইউনিয়নের সাহেবের আবাদ এলাকার সাহসী মানুষ গৌতম সরকার (কাঁকন) বলেন, আমি জনগনের পক্ষে থেকে ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আশা করি আমাদের কাঁচা কাদা মাটির রাস্তা দ্রুত পাকা হবে। তাই তিন ইউনিয়নবাসীর দাবি, কাঁচা কাঁদা মাটির রাস্তা চলাচলের জন্য পাকা রাস্তা তৈরি করা হোক।

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights