আজ ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ৩০শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ এবং ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

বরিশাল ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনঃ শেষ মুহূর্তে জমজমাট প্রচারণায় প্রার্থীরা

বরিশাল ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনঃ  শেষ মুহূর্তে জমজমাট প্রচারণায় প্রার্থীরা

।।বিশেষ প্রতিনিধি।।

আর মাত্র এক দিন পর আগামী সোমবার বরিশাল ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হতে যাচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রকাশ্য প্রচার,প্রচারণা শেষ হচ্ছে আজ শনিবার মধ্যরাতে।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচন বিধিমালার ৭৪নং বিধি অনুসারে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার ৩২ঘণ্টা আগে নির্বাচনী এলাকায় কেউ জনসভা করতে পারবেন না। কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রাও করা যাবে না। এ অবস্থায় গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে ও সকাল থেকে এ দুই সিটিতে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার ছিল জমজমাট। আবহাওয়াও ছিল অনুকূলে। গতকালের বৃষ্টি, তাপপ্রবাহ কমিয়ে আনায় স্বস্তি ছিল সবার মধ্যে। তবে অনেকের নির্বাচনী পোস্টার বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়ে যায়।

মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মুসল্লিদের কাছে ভোট প্রার্থনা করে, ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছানোর চেষ্টা ছিল প্রায় প্রার্থীদের। কার সঙ্গে দেখা করা বাকি থাকল, কোন পাড়া-মহল্লায় কম নির্বাচন যাওয়া হয়েছে- এসবের হিসাব মিলিয়ে পরিকল্পিত প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করেছেন প্রার্থীরা। জনে জনে পৌঁছে দিয়েছেন ভোটার নম্বর। বরিশালের ভোটার উপস্থিতি নিয়ে তেমন উদ্বেগ না থাকলেও খুলনায় এ বিষয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সে কারণে এই সিটিতে নির্বাচনী প্রচারে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিতির বিষয়টিতে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া আজ মধ্যরাত থেকে নির্বাচনী এলাকায় নিষিদ্ধ হচ্ছে মোটরসাইকেল চলাচলসহ যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা। আগামীকাল রবিবার মধ্যরাত থেকে ট্রাক, বাস, মিনিবাস, মাইক্রোবাস, জিপ, কার, ইজি বাইক চলাচলও বন্ধ হয়ে যাবে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা প্রার্থী, প্রার্থীর এজেন্ট, সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের জন্য শিথিল থাকবে। তবে নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং জরুরি সেবার ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। এদিকে নির্বাচন কমিশনও ভোটের সব রকম প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনের কাজ চলছে। দুই সিটিতেই পৌঁছে গেছে ইভিএম সিস্টেম।

বরিশালে মসজিদে প্রচারঃ
গতকাল বরিশালের মেয়র প্রার্থীদের অন্যতম প্রচারের স্থান ছিল মসজিদগুলো। নৌকার প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাত গতকাল শহরের চৌমাথার মারকাজ মসজিদে প্রচার চালান। তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে ওই মসজিদে উপস্থিত হন। ১২টা ৫০মিনিটে তিনি সেখানে মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিছিয়ে পড়া বরিশালকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আপনারা সহযোগিতা করলে আমি বরিশালকে উন্নত, আধুনিক বরিশাল হিসেবে গড়ে তুলতে পারব। পরে চৌমাথা বাজারে তিনি গণসংযোগ করেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ও বরিশাল সিটিতে মেয়র পদপ্রার্থী এবাদুল্লাহ মসজিদে জুমার নামাজের আগে ভোট প্রার্থনা করেন মুসল্লিদের কাছে। তিনি বলেন- বরিশালের মানুষের এখন সংকটময় মুহূর্ত। জানমালের নিরাপত্তা নেই, চাকরিতে নিরাপত্তা নেই, সড়কে নিরাপত্তা নেই, নারীদের নিরাপত্তা নেই, চিকিৎসাসেবায় নিরাপত্তা নেই। সর্বত্রই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন নগরবাসী। সব কিছুতেই ঘুষ দিতে হচ্ছে। তাই এই সব কিছু থেকে বের হয়ে আসতে ইসলামের শাসন দরকার। ইসলামী শাসন এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। তিনি সেখানে জুমার নামাজের ইমামতি করেন। পরে তিনি নগরীর চকবাজার, বাজার রোড, ফলপট্টি এলাকায় গণসংযোগ করতে থাকেন। তাঁর অনুসারীরা শহরের দুই শতাধিক মসজিদে একযোগে প্রচার প্রচারণা চালান। অন্য প্রার্থীরাও এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে ছিলেন না।

বিএনপির প্রয়াত মেয়র আহসান হাবিব কামালের ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান রূপণ মুসলিম গোরস্থান মসজিদে প্রচার চালান। তিনি মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেন- আমার বাবা প্রয়াত মেয়র আহসান হাবিব কামাল আপনাদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। তাঁর জীবন যৌবন সব কিছুই বিলিয়ে দিয়েছেন মানুষের সেবায়। তাঁর সন্তান হয়ে আমি আপনাদের সেবা করতে চাই। আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করব বাবার আদর্শ ধরে রেখে বরিশালবাসীর উন্নয়ন করতে। এর আগে রূপণ কীর্তনখোলার তীরের কেডিসি বস্তি এলাকায় গণসংযোগ করেন।

জুম্মার নামাজের আগে চৌমাথা এলাকায় শোভাযাত্রা করেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস। নবগ্রাম থেকে শুরু এই শোভাযাত্রা শহরের বেশ কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। হুড খোলা গাড়িতে চড়ে সাধারণ মানুষের কাছে করজোরে ভোট প্রার্থনা করেন তাপস। গাড়ির পেছনে বেশ কয়েকটি পিকআপ ভ্যানে ছিলেন দলের কর্মীরা। তাপস বলেন, সকালের বৃষ্টিতে প্রায় দুই ঘণ্টা প্রচার বন্ধ রাখতে হয়েছিল। আমরা থেমে নেই, বরিশালবাসী উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাবো,ইনশাল্লাহ।

১৪কে মাঠে নামানোর উদ্যোগঃ
বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীকে আরেকবার সুযোগ দেওয়ার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেছেন- হাতপাখার প্রার্থীকে টাকা দিয়েছে বা দেয়নি, সেটা আলোচ্য বিষয় নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাতকে এই নির্বাচনে জয়ী করতে হবে। এজন্য সবাই কাজ করবেন। আমরা দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাব। বৃহস্পতিবার রাতের ওই মতবিনিময়সভায় নানক আরো বলেন- আমরা বরিশালের ১৪দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি মানুষের দুয়ারে খোকন সেরনিয়াবাতের জন্য ভোট চাইব। আশা করি আপনারা সকলে আমাদের সঙ্গে আছেন। সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন- আমরা আসলে আপনাদের কষ্ট দিতে চাইনি বলেই প্রথম দিকে আপনাদের ডাকিনি। কিন্তু এই শেষের দুই দিন আমরা আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা আশা করছি। আপনাদের একটু সহযোগিতায় আমরা বিজয়ী হতে পারব।

খুলনায় ভোটাদের উপস্থিতি বাড়াতে প্রচার প্রচারণাঃ
খুলনায় নগরের মূল নেতাদের ধারণা- এবারের নির্বাচনে প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি অংশ না নেওয়ায় নির্বাচনটি অনেকখানি আকর্ষণ হারিয়েছে। নির্বাচন অনেকটা পানশে হয়ে গেছে। কেসিসি’র গত তিনটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়র প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল। এবারে মেয়র পদে বিএনপি প্রার্থী নেই। নির্বাচনী মাঠে শক্তিশালী প্রার্থী সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এককভাবেই শক্তিশালী। তার পরও খালেক সকাল থেকে রাত অবধি নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে আসছেন। প্রতিদিন নগরের একাধিক জায়গায় গণসংযোগ, মতবিনিময়সভা করছেন। ভোটারদের হাতে নিজের লিফলেট বিতরণ করছেন। দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট চাইছেন আব্দুল খালেক। গতকাল তালুকদার আব্দুল খালেক সকাল ৮টার দিকে রায়েরমহল, সকাল ১০টার দিকে শেখপাড়া বাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও ব্যাপকভাবে গণসংযোগ করেন। বিকেল ৫টায় চানমারী বাজারে গণসংযোগ এবং সন্ধ্যায় ৩১নম্বর ওয়ার্ডে বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন- খুলনাবাসীর প্রত্যাশা পূরণে শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে হলেও চেষ্টা করে যাব। খুলনা সিটিকে ঢেলে সাজাতে নানামুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আর এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে এবারেও নগরবাসীর রায় চাই। আমার ৪০ দফা ইস্তেহার আমি সঠিকভাবে পালন করব। ভোটারদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করুন।

অন্যদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আউয়াল গতকাল সারা দিন খালিশপুরের নয়াবাটি, ক্রিসেন্ট মিল এলাকা, আলমনগর হাউজিং এলাকায় গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন- স্বাধীনতার ৫২বছর পার হচ্ছে। এ পর্যন্ত যত রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় গিয়েছে, তারা কেউই দেশবাসীকে শান্তি দিতে পারেনি। গত ১৪বছরে দেশ থেকে প্রায় ১৪লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। সরকারের উন্নয়ন বরাদ্দের টাকাও লুটপাট হচ্ছে। আমরা ক্ষমতায় আসলে সকল অন্যায় অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। আর খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে নতুনভাবে সাজাবো। আপনাদের একান্ত সহযোগিতা আমি কামনা করছি।

জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকের প্রার্থী মোঃ শফিকুল ইসলাম মধু নগরীর ডাকবাংলো মোড়, বড় বাজার এলাকায় গণসংযোগ করেন। তিনি এ সময় বলেন- আমাকে ভোট দিয়ে জয়ী করলে আমি কেসিসি এলাকা সম্প্রসারণ করব। নগরীর ২২খাল উদ্ধার করে নগরীকে একটি বিনোদন নগরী হিসেবে গড়ে তুলব। বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মমুখী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলব, গুণীজন ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দেব। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের চেহারা পাল্টে দেবো। জনগণের উন্নয়নে সার্বিক সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করব। আমি আশা করি আপনারা জাতীয় পার্টির সঙ্গে আছেন এবং থাকবেন।

অপরদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ, খুলনা মহানগর ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে তালুকদার আব্দুল খালেকের পক্ষে গতকাল প্রচারণা চালানো হয়।

আবার কাউন্সিলর প্রার্থীরা ওয়ার্ডের প্রায় সব ভোটারের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার চেষ্টা করেছেন। শেষ মুহূর্তে হিসাব করছেন, কার সঙ্গে দেখা করা এখনো বাকি রয়েছে। প্রার্থীদের পক্ষ থেকে ভোটার নম্বর বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ভোটের দিন ভোটারদের কেন্দ্রে উপস্থিত নিশ্চিত করার জন্য দায়িত্ব বণ্টন করা হচ্ছে। সকলেই নিজেদের যোগ্য প্রমাণের জন্য বিশেষভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সকলেরই একটাই প্রতিশ্রুতি একটা আদর্শ খুলনা সিটি কর্পোরেশন উপহার দেয়া। এই মর্মে দিনরাত সকলেই প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত। এ বিষয়ে ২৫নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী, বর্তমান কাউন্সিলর আলি আকবর টিপু বিডি হেডলাইন্সকে বলেন- আমি আশা করছি, আমার ওয়ার্ডের প্রায় ৮০শতাংশ ভোটার ভোটকেন্দ্রে আসবেন। ভোটাররা আমাকে ভালোবাসেন, এর আগেও তাঁরা আমাকে তিনবার কাউন্সিলর নির্বাচিত করেছেন। ফলে এবারেও তাঁরা আমাকে এবং আমার দলের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেককে ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে যথাসময়ে হাজির হবেন। তিনি নৌকার পক্ষে কাজ করেন বলে জানান।

আওয়ামীলীগ প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান কাজী আমিনুল হক এ প্রসঙ্গে বলেন- আমরা ভোটার উপস্থিতির বিষয়ে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। আমাদের দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীরা ছাড়াও সাধারণ নাগরিকরা ভোট দিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ভোটকেন্দ্রে হাজির হবেন বলে আশা করছি। তিনি আরো বলেন- আওয়ামী লীগের উন্নয়নের প্রতি আস্থা রেখে এবারও ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে আসবেন এবং নৌকা প্রতীকে ভোট দিবেন।

অন্যদিকে নাগরিক সংগঠন সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) খুলনার সভাপতি অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা বিডি হেডলাইন্সকে বলেন- মেয়র পদে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ভোটের আকর্ষণ কম, তবু শুরুর দিকে যেমন মনে হয়েছিল, অবস্থা তার চেয়ে বেশ ভালো হয়েছে। প্রার্থীরাও ছুটছেন। কাউন্সিলর প্রার্থীরাও ছুটছেন। ভোটারদের উপস্থিত করতে পারবেন বলে মনে হচ্ছে। এখন অপেক্ষায় আছি সবাই দেখি সোমবার কি হয়! আশা করি একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে।

পরিশেষে, নৌকার পক্ষে শক্ত কোন মেয়র প্রার্থী না থাকলেও ভোট যুদ্ধ হবে সমান তালে। সবাই বিভিন্ন ইশতেহার, নিজেকে যোগ্য প্রমাণের চেষ্টা করেছেন। এখন শুধু অপেক্ষার পালা আগামী সোমবার বোঝা যাবে জয় পরাজয়ের খেলা। সবমিলে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন এখন জমজমাট প্রচার প্রচারণায় মুখরিত।

বিপ্র/কেএইচ/তারিখ:১০০৬২৩/১০:৩৬

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights