আজ ২৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ এবং ১৯শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

মাগুরায় মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • In সারাবাংলা
  • পোস্ট টাইমঃ ৭ ডিসেম্বর ২০২৩ @ ০৫:৩৪ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ৭ ডিসেম্বর ২০২৩@০৫:৩৪ অপরাহ্ণ
মাগুরায় মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

তাছিন জামান
মাগুরা প্রতিনিধি।।

মাগুরার শ্রীপুরে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানীর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলার চরশ্রীপুর গ্রামের ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস নামের এক ভুক্তভোগী এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস বলেন, আমার গ্রামের বাসিন্দা প্রতিবেশী নিশিকান্ত মন্ডলের সাথে একটি জমির মালিকানা স্বত্ত্ব নিয়ে ও তার মেজ পুত্র নিকুল মন্ডলের সাথে আমার চেক জালিয়াতির মামলা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

আমার কাকা মৃত নির্মল বিশ্বাসের পুত্র মনি কুমারের নিকট থেকে ক্রয়সূত্রে মাগুরা জেলা মোকাম শ্রীপুর সহকারী জজ আদালতের সলেসূত্রে ৫৫ শতক জমির মালিকানা স্বত্ত¡বান হই।

মাগুরা জেলা মোকাম শ্রীপুর বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতের বিচারক দেওয়ানী ২৬৭/২৩ নং মামলাটি গত ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর আমার পক্ষে সলের রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের রায় প্রাপ্তির পর আমি জমির বৈধ স্বত্তবান হয়ে উক্ত জমিতে মালিকানা স্বত্ত¡ দখল নিতে গেলে প্রতিবেশী নিশিকান্ত মন্ডল ও তার সন্তানরা আমাকে বাধা প্রদানসহ বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং ২৭ শতাংশ জমি বায়নানামা সূত্রে মালিকানা দাবি করে।

পরবর্তিতে নিশিকান্ত মন্ডল মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে গত গত ১লা ডিসেম্বর আমার বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী অন্তর্ভূক্ত করে। নিশিকান্ত মন্ডল ও তার সন্তানরা এখানেই ক্ষ্যান্ত হয়নি বরং আমাকে সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে মানহানি, হয়রানি ও হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদকর্মীদের আমার বাড়িতে পাঠিয়ে বিভিন্ন ধরণের কাল্পনিক অসত্য তথ্য সরবরাহ করে বিভিন্ন পত্রিকা-পত্রিকা, অনলাইন নিউজ ও টিভিতে প্রচার করে আমাকে হয়রানি ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। যে সকল কাল্পনিক মিথ্যা তথ্য বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচার করা হচ্ছে সে সকল তথ্যের সাথে আমার জীবনের কোন কর্মকাণ্ডেই কোন প্রকার সম্পৃক্ততা নাই।

প্রতিবেশী নিশিকান্ত মন্ডলের মেজ পুত্র নিকুল কুমার মন্ডল আমার নিকটতম বন্ধু ছিল। সেই বন্ধুত্বের সরলতার সুযোগ নিয়ে গত ২০১২ সালে নিকুল মন্ডল আমার নিকট থেকে ৫ লক্ষ টাকা ধার নেয়।

পরবর্তিতে ধারের টাকা পরিশোধের জন্য সে আমাকে ৫ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করে। কিন্ত ওই চেক ব্যাংকে জমা দিলে ডিজঅনার হওয়ায় উক্ত টাকাটি আদায়ের জন্য ২০১৩ সালে মাগুরা আদালতে চেক জালিয়াতির মামলা দায়ের করি।

বিজ্ঞ আদালত ২০১৭ সালে নিকুলের নিকট ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন এবং বাকি ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মামলা এখনও চলমান রয়েছে। এই চেক জালিয়াতির মামলা থেকে রক্ষা পেতে এবং অবৈধ জমি দখলের লক্ষে নিশিকান্তসহ তার তিন সন্তান নিকুল, অমৃত ও নৃপেন আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। আমি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং উপস্থিত সাংবাদিকগণের মাধ্যমে আমার বৈধ টাকা ও ক্রয়কৃত জমিটি উদ্ধারের বিষয়ে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights