জাবির জাহিদ
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।।
কিশোরগঞ্জে মসজিদের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে কমিটির সাথে বিরোধের জের ধরে ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে।সোমবার ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের চংশোলাকিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ইমামের নাম রবিউল ইসলাম।তিনি পাঁচুশাহ ফকির মসজিদের ইমাম ও করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের মৃত আবুল হাশেমের ছেলে।আহত মুয়াজ্জিনের নাম আরমান মিয়া (২৫)। তিনি চংশোলাকিয়া গ্রামের দস্তর আলীর ছেলে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয়দের সহযোগিতায় হামলাকারী চংশোলাকিয়া এলাকার মনফর মুন্সির ছেলে নুরুল আমিন (৪৫) ও একই এলাকার আজিম উদদীনের ছেলে রমজান মিয়াকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মসজিদের ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে কমিটির সাথে বিরোধ থেকেই তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। মসজিদের পাশে অজু করার সময় দা দিয়ে তাদের কোপানো হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ দাউদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
চংশোলাকিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও মহিনন্দ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার তাফাজ্জল হোসেন শামীম জানান, ‘ইমামের অবস্থা খুবই গুরুতর। তার ডান হাতের বাহু থেকে নিচ পর্যন্ত অন্তত পাঁচ জায়গায় কোপানো হয়েছে। বাম হাতের কব্জি ও আঙুলে কোপানো হয়েছে। মুয়াজ্জিনের মাথায় ধারাল কিছুর আঘাতের দাগ রয়েছে।’
মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: রহমতুল্লাহ জানান, অভিযুক্ত নুরুল আমিন ঢাকায় থাকেন। মাঝে মধ্যে বাড়িতে এসে ইমাম সাহেবকে মসজিদ থেকে চলে যেতে বলেন। এর আগেও তিনি এ মসজিদের অন্য ইমামদের অপদস্ত করেছেন। ঘটনার দু’দিন আগেও ইমাম সাহেবকে মসজিদ থেকে চলে না গেলে অপদস্ত করা হবে বলে হুমকি দেন। এ বিষয়টি ইমাম মসজিদ কমিটির লোকজদের জানিয়েছিলেন। কিন্তু আজকে সকালে নূরুল আমিন ইমামকে কুপিয়ে জখম করেন।’






















