আজ ২০শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ৭ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ এবং ১১ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

বিশ্বরেকর্ডের হাতছানি রোনালদোর

  • In অন্যান্য, মাঠে ময়দানে
  • পোস্ট টাইমঃ ২২ মার্চ ২০২৩ @ ০৩:৩৫ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ২২ মার্চ ২০২৩@০৩:৩৫ অপরাহ্ণ
বিশ্বরেকর্ডের হাতছানি রোনালদোর

বয়স হয়ে গেছে ৩৮। এই বয়সে বুটজোড়া তুলে রাখার কথা ভাবেন পেশাদার ফুটবলাররা।

তারচেয়েও বড় কথা, ইউরোপের শীর্ষ পর্যায়েও আর খেলছেন না তিনি। কিন্তু সব বাধা ডিঙিয়ে রেকর্ডের খাতায় নতুন অধ্যায় যুক্ত করে চলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
আগামী বৃহস্পতিবার রাতে উয়েফা ইউরোর বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলবে পর্তুগাল। লিশটেনস্টাইনের বিপক্ষে ম্যাচটিতে খেলতে নামলেই বিশ্বরেকর্ড গড়বেন রোনালদো। জাতীয় দলের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার কীর্তি রেকর্ড ঝুলিতে পুরবেন পর্তুগিজ উইঙ্গার।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে পর্তুগালের জার্সিতে ১৯৬তম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন রোনালদো। এতদিন সেটাই ছিল সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড। তবে রেকর্ডটি তিনি ভাগাভাগি করেছেন কুয়েতের বদর আল-মুতাওয়ার সঙ্গে। ২০২২ সালের ১৪ জুন এই কুয়েতি তারকা সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন।

এখন লিশটেনস্টাইনের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের ১৯৭তম ম্যাচ খেলবেন রোনালদো। তবে নতুন কোচ রবার্তো মার্তিনেজের স্কোয়াডে ডাক পেলেও একাদশে তার থাকা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে বদলি হিসেবে যে তাকে নামানো হবে তা একপ্রকার নিশ্চিত।

২০০৩ সালের ২০ আগস্ট আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয় রোনালদোর। আর এখন পর্যন্ত কাতারে ১০ ডিসেম্বর মরক্কোর বিপক্ষে শেষবার তাকে পর্তুগালের জার্সিতে দেখা গেছে। এরপর সৌদি আরবের প্রো লিগের ক্লাব আল নাসরে যোগ দেওয়ায় অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন, রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ। কিন্তু কোচ বদলে যাওয়ার পর ভাগ্যও বদলে গেল তার।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর কাছে ১-০ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পর কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছিলেন রোনালদো। এর আগেই অবশ্য সেসময়ের কোচ ফার্নান্দো সান্তোসের একাদশে জায়গা হারিয়েছিলেন তিনি। মরক্কো ম্যাচের পর তার বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছিল।

তাছাড়া বিশ্বকাপের আগেই ম্যানচেস্টার ইউনেটেডের সঙ্গে রোনালদোর ‘তিক্ত’ সম্পর্ক ছিন্ন হয়। ক্লাবহীন হয়ে পড়ায় তাকে নিয়ে সংশয় বাড়ছিল। বিশ্বকাপের পর আবার তিনি ইউরোপ ছেড়ে পাড়ি জমান সৌদির ক্লাবে। ফলে শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবল থেকে তিনি ছিটকে পড়ার সম্ভাবনা ছিল।

কিন্তু সান্তোস সরে দাঁড়ানোর পর পর্তুগাল কোচের দায়িত্বে আসা মার্তিনেজ দলের সবচেয়ে বড় তারকাকে ছাড়া দল সাজাননি। দায়িত্ব নিয়ে প্রথম অ্যাসাইনমেন্টেই দলের অধিনায়ককে ডেকে পাঠালেন গত বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের দায়িত্ব পালন করা এই অভিজ্ঞ কোচ।

পর্তুগাল দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে রোনালদোকে নিয়ে মার্তিনেজ বলেছিলেন, ‘জাতীয় দলে আসতে পারে এমন খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করার জন্য আমরা একটি ফুটবলীয় প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছি। আমরা সব খেলোয়াড়কে সুযোগ করে দিতে চাই এবং যারা এখনও জাতীয় দলে আছে তাদের প্রাপ্র্য সম্মান দিতে চাই। তাদের মধ্যে রোনালদোও আছে।

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights