আজ ২০শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ৭ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ এবং ১১ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

এআই প্রযুক্তি কয়েক দশকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি : বিল গেটস

এআই প্রযুক্তি কয়েক দশকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি : বিল গেটস

প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)’র কার্যক্রম গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত অগ্রগতি।
মঙ্গলবারের এক ব্লগ পোস্টে এই প্রযুক্তিকে মাইক্রোপ্রসেসর, ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন তৈরির মতো মৌলিক উদ্ভাবন হিসেবে আখ্যা দেন গেটস।
“এটা মানুষের কাজ, শেখা, যাতায়াত, স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ ও একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের ধরন বদলে দেবে।” –বলেন তিনি।
চ্যাটজিপিটি’র চ্যাটবটের মতো টুলে ব্যবহৃত প্রযুক্তি সম্পর্কেও লেখেন তিনি।
ওপেনএআই’র তৈরি এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা যেন এটি প্রাকৃতিক, মানুষের মতো ভাষা ব্যবহার করে অনলাইনে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে পারে।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে এই প্রযুক্তি তৈরি করা দলটি কয়েকশ কোটি ডলারের বিনিয়োগ মাইক্রোসফটের কাছ থেকে পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বিবিসি। মাইক্রোসফটে এখনও উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গেটস।
তবে এটিই একমাত্র এআই-চালিত চ্যাটবট নয়। সম্প্রতি চ্যাটজিপিটি’র প্রতিদ্বন্দ্বী চ্যাটবট ‘বার্ড’ এনেছে গুগল।
এআই’র ভবিষ্যৎ
বিভিন্ন দেশের সরকারকে এআই’র ‘ঝুঁকির মাত্রা সীমিত করার উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট শিল্পের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান ‘বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনে’র সহ-প্রধান গেটস।
“দরিদ্র দেশগুলোর জন্য এআই-চালিত অগ্রগতি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে, যেখানে পাঁচ বছরের কম বয়সে বেশিরভাগ শিশু মারা যায়।” –লেখেন তিনি।
“ওইসব দেশের অনেক মানুষই কখনও ডাক্তার দেখাতে যান না। আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তাদের স্বাস্থকর্মীদের তুলনামূলক কার্যকর হতে সহায়তা দেবে।”
গেটসের উল্লেখ করা এর কয়েকটি উদাহরণের মধ্যে রয়েছে বীমা বুঝে নেওয়া, দাপ্তরিক কার্যক্রম ও নোট নেওয়ার মতো পুনরাবৃত্তিমূলক কার্যক্রম শেষ করা।
তবে, এটি বাস্তবায়নের জন্য ভবিষ্যতে এআই প্রযুক্তির দিকে লক্ষ্য করা পদ্ধতি অবলম্বনের আহ্বান জানান তিনি।
“বাজারের প্রতিযোগীরা স্বাভাবিকভাবেই এমন এআইভিত্তিক পণ্য ও পরিষেবা তৈরি করবে না, যা দরিদ্রদের সাহায্য করে।” –বলেন তিনি।
“বরং এর বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।”
“বিশ্বাসযোগ্য আর্থিক অনুদান ও সঠিক নীতিমালা অবলম্বনের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সরকার ও জনহিতৈষী সংস্থাগুলো নিশ্চিত করতে পারে যে, বৈষম্য কমাতেও এআই ব্যবহার করা যায়।”
“বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর ওপর আলোকপাত করতে যেমন বিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল লোকদের প্রয়োজন পড়ে, তেমনই আমাদের বিশ্বের সেরা এআইগুলোরও সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর ওপর মনযোগ দিতে হবে।”

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights