আজ ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ও ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ৫ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

ভবিষ্যতে চাকরির আবেদনে সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

  • In জাতীয়
  • পোস্ট টাইমঃ ৩০ জুলাই ২০২৩ @ ০৭:৩৭ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ৩০ জুলাই ২০২৩@০৭:৩৭ অপরাহ্ণ
ভবিষ্যতে চাকরির আবেদনে সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

।।নিজস্ব প্রতিবেদক।।

ভবিষ্যতে সরকারি চাকরির আবেদনে সত্যায়নের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, এ ইস্যুতে চাকরি প্রার্থীদের ভোগান্তি দূর করতে বিষয়টি সহজ করা হবে। রোববার সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ এ অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। বিএসআরএফ সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব।

বর্তমানে সত্যায়ন প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটা আমারও কথা। আমরা ছাত্রজীবনেও দেখেছি। একটা সিল দিয়ে মেরে দিলে তো হলো! যদিও আমারটা অর্জিনালি আছে। তিনি বলেন, এই যে ডিজিটালাইজেশনের যুগে আমরা পরিবর্তনগুলো করছি। আমাদের কিন্তু এখন বিগ ডাটা। আমাদের বিগ ডাটা, ভোটার আইডিতে এগুলো সব থেকে যাবে। আপনার ভোটার আইডি কার্ড দেন, সেখানে কিন্তু আপানার সার্টিফিকেটগুলো, কোথায় কোথায় লেখাপড়া করেছেন, মেইন সার্টিফিকেটগুলোতে চলে আসবে। আপনি চাইলে অনেক ডাটা দেখে নিতে পারছেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যখন এটা করবো, তখন কোনো মানুষের একটা কোড নাম্বার থাকবে। সেই কোডটা দিলে কিন্তু অর্জিনাল কিনা আপনি দেখে নিতে পারছেন। সেক্ষেত্রে আমার মনে হয় এটা অল্প দিনের মধ্যেই ডিজিটালবেজড, স্মার্ট বাংলাদেশের যে স্বপ্ন আমরা দেখছি, সেখানে আমাদের প্রত্যেকটা কাজ সহজ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট গর্ভনমেন্টস বা সরকার ব্যবস্থা। সেক্ষেত্রে আমাদের যে বিষয়টি আছে, এগুলো আমাদের মাথার মধ্যে আছে। আপনারা কিছু দিন দেখবেন, এগুলো সবই ডিজিটালাইজড হয়ে যাবে এবং এটার (সত্যায়ন) কোনো প্রয়োজন হবে না। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমি কথা দিচ্ছি, আমরা যত দ্রুত পারি এটার বিষয়ে কাজ করে সহজীকরণ করে দেব, যাতে কারো ভোগান্তি না থাকে।
মাঠ প্রশাসন থেকে সম্প্রতি বেশ কয়েকজন জেলা প্রশাসককে প্রত্যাহার করার বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, ‘মাঠ প্রশাসন দেখে কেবিনেট ডিভিশন (মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ)। যারা মাঠে কাজের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেনি, কারও কারও বিরুদ্ধে মাঠ প্রশাসনে অভিযোগ ছিল, তাই মাঠ থেকে কয়েকজন ডিসিকে তুলে এনেছি। মাঠে যোগ্য অফিসার দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে যে কয়েকজন ডিসিকে মাঠ থেকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে ২২তম ব্যাচের কয়েকজনকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। ২৬ ও ২৮ ব্যাচের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিয়ে জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করা হচ্ছে। ফরহাদ হোসেন বলেন, যারা ভালো কাজ করে তাদেরকে উৎসাহিত করি। যারা অপরাধ করে তাদের শাস্তির আওতায় আনি। এর মধ্য দিয়ে দেশে সুশাসন নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিতে চাই। অফিসারদের অতিকথন বন্ধ রাখতে বলেছি। সংযত হয়ে মানোযোগ দিয়ে দেশের কাজ করতে বলেছি। নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন। সরকার কমিশনকে সহায়তা করবে।

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

শিরোনামঃ