।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।
রাশিয়ার সঙ্গে ক্রিমিয়ার সংযোগ স্থাপনকারী সেতুটি হামলার শিকার হওয়ার একদিনের মাথায় আংশিকভাবে খুলে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ সরকার। এক কর্মকর্তা জানান কার্চ উপত্যকা ধরে সেতুটির একটি লেন ব্যবহার করতে পারছে যানবাহনগুলো।
সেতুতে হামলার ঘটনায় ছুটি কাটাতে যাওয়া এক যুগল নিহত এবং তাদের মেয়ে আহত হয়েছেন। এই হামলার জন্য সমুদ্র থেকে ইউক্রেনের উৎক্ষেপণ করা ড্রোনকে দায়ী করেছে রাশিয়া। এদিকে, ইউক্রেনীয় বন্দর থেকে শস্য রপ্তানির চুক্তি নবায়ন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মস্কো। তবে রাশিয়ার দাবি এটি হামলার প্রতিশোধ নয়।
গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক সেতুতে হামলার নিন্দা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই ঘটনাকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম আখ্যা দিয়ে বলেছেন, রুশ বাহিনী এর প্রতিশোধ নেবে। ইউক্রেনীয় বিমান বাহিনী রাতভর ওডেসা এবং অন্য দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরে রাশিয়া ড্রোন হামলা চালাতে পারে সতর্ক বার্তা দিয়েছে।
রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী মারাত খুসনুলিন রাতের বেলা সেতুর ওপর দিয়ে গাড়ি চলাচলের ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, মধ্য সেপ্টেম্বর নাগাদ সেতুটির উভয় দিকে লেন পুরোপুরি খুলে দেয়ার আশা করছেন তিনি। রুশ পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় সেতুর ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, কেবল একটি স্প্যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কার্চ নামের সেতুটি ২০১৮ সালে চালু করা হয়। এর মাধ্যমে রাশিয়া ও ক্রিমিয়ার মধ্যে সড়ক ও রেলপথে যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয়। ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নেয় মস্কোর বাহিনী। গত বছরের অক্টোবরে সেতুতে বড় একটি বিস্ফোরণের পর এর অংশবিশেষ বন্ধ করে দেয়া হয়। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক সরবরাহ রুটটি পূর্ণভাবে ফের চালু হয় গত ফেব্রুয়ারিতে। গত অক্টোবরের বিস্ফোরণের ঠিক কারণ এখনো অপরিষ্কার রয়ে গেছে। ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, সেতুর ওপর দিয়ে গাড়ি ও ট্রাক চলাচলের সময় বিশালাকার একটি অগ্নিগোলক ছড়িয়ে পড়েছে।
একদিন আগের নতুন হামলা চালানোর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি ইউক্রেন। তবে সূত্রের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনী এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে এবং এতে পানি থেকে উৎক্ষেপণ করা ড্রোন ব্যবহার হয়েছে।






















