।।নিজস্ব প্রতিবেদক।।
ফোনে কথাবার্তাসহ সবকিছুই এখন নজরদারিতে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পকেটের টেলিফোনটাই এখন বড় শত্রু। ইসরায়েলের নজরদারি প্রযুক্তি এনে বিরোধী দলের নেতাদের ফোন হ্যাক করছে সরকার। বিরোধী দলকে দমনের জন্য এবং বিরোধী মতকে নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে তারা এটা করছে। এটা কোনো গণতান্ত্রিক দেশে হতে পারে না।
শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপির আন্দোলনের সঙ্গী ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটি সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সংলাপ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা বিশ্বাস করে গিয়েছিলাম। কিন্তু বোকা বানিয়ে দিয়েছিল। ফলে এদের সঙ্গে সমঝোতা করা যায় না? সমঝোতা করে লাভ হবে না, এরা আবার প্রতারণা করবে। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন থেকে বিরোধী দলগুলোকে সরে যাওয়ার জন্য চক্রান্ত শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হচ্ছে আগের মামলাগুলোর বিচার দ্রুত শেষ করার জন্য। মির্জা ফখরুল ডেঙ্গু পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সিটি করপোরেশনের কর্মকাণ্ড নিয়ে সে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, সারা দেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। কলকাতায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে। দেশে জনগণ কর দিচ্ছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ শুধু বড় বড় কথা বলছে। যাত্রাবাড়িতে এমন একটা ঘর নাই, বাড়ি নাই যেখানে ডেঙ্গু রোগী নাই। সিটি করপোরেশন কি করে? কলকাতা তো ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে। আবার বিদেশ থেকে ছেলে-মেয়েদেরকে নিয়ে এসে সিটি করপোরেশনে চাকুরি দেয় হিট অফিসার পদে। এখন আমরা যে হিটেড হয়ে গেলাম। স্বাস্থ্য সেবা না পেয়ে পেয়ে আমরা সব ‘হিটেড-বুটেড’ হয়ে যাচ্ছি। বিদেশে অর্থপাচারের প্রসেঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, হঠাৎ শুনলাম সুইজারল্যান্ডের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ। কোনো দিন শুনলাম না। কেনো? আমরা শুনতে পাই, সুইস ব্যাংকে নাকি বাংলাদেশীদের টাকা অনেক বেড়ে গিয়েছিলো। হঠাত করে আবার শুনলাম ওখান থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার মতো তুলে নেয়া হয়েছে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে।
আলোচনা সভায় এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমানসহ প্রমুখ।





















