আজ ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ এবং ১৫ই জিলকদ, ১৪৪৫ হিজরি

ঔপনিবেশিক আমলের দৌলত ফিরিয়ে দেবে নেদারল্যান্ডস

  • In আন্তর্জাতিক
  • পোস্ট টাইমঃ ৭ জুলাই ২০২৩ @ ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ৭ জুলাই ২০২৩@১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
ঔপনিবেশিক আমলের দৌলত ফিরিয়ে দেবে নেদারল্যান্ডস

।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।

ঔপনিবেশিক আমলে নিয়ে যাওয়া শত শত মূল্যবান দৌলতসামগ্রী ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলঙ্কার কাছে ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নেদারল্যান্ডস। এসব সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে রত্নখচিত একটি তামার কামান এবং ‘লোম্বক দৌলতখানা’ থেকে লুট হওয়া বহুমূল্যবান রত্ন।

ঔপনিবেশিক আমলের দৌলত সামগ্রী কোনো দেশ ফিরিয়ে দেয়ার অনুরোধ করলে তা ফিরিয়ে দিতে ডাচ সরকারকে আহ্বান জানানো হয়েছে এক প্রতিবেদনে। ঔপনিবেশিক আমলের অতীত নিয়ে নেদারল্যান্ডসের ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

সাম্প্রতিক বছরে আরও কয়েকটি দেশ লুট করা মূল্যবান সামগ্রী ফিরিয়ে দেয়া শুরু করেছে। উল্লেখযোগ্য উদাহরণের মধ্যে রয়েছে, যুক্তরাজ্য ও জার্মানির যাদুঘর সম্প্রতি কিছু বেনিন ব্রোঞ্জ ফিরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসব ব্রোঞ্জ ১৮৯৭ সালে নাইজেরিয়ায় ব্রিটিশ বাহিনীর বড় ধরনের অভিযানের সময়ে চুরি করা হয়।

নেদারল্যান্ডসের সংস্কৃকি মন্ত্রী গুনা উসলু বলেন, প্রথমবারের মতো আমরা সেসব সামগ্রী ফিরিয়ে দিচ্ছি যা কখোনোই নেদারল্যান্ডসে থাকা উচিত ছিল না। তবে আমরা কেবল সামগ্রী ফিরিয়ে দিচ্ছি না। আমরা আসলে এমন এক পর্বের সূচনা করছি যেখানে, আমরা শ্রীলঙ্কা ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সহযোগিতা করবো।

ইন্দোনেশিয়ার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হবে তাদের লোম্বোক দৌলতখানার নানা সামগ্রী। এর মধ্যে রত্ন, মূল্যবান পাথর, স্বর্ণ ও রুপা রয়েছে। ১৮৯৪ সালে ইন্দোনেশিয়ার লোম্বক দ্বীপের রাজপ্রাসাদ থেকে এসব দৌলত লুট করে ডাচ ঔপনিবেশিক সেনাবাহিনী।

শ্রীলঙ্কা ফিরিয়ে নেবে ১৮শ শতকের এক বিখ্যাত ব্রোঞ্জের কামান। বর্তমানে রত্নখচিত কামানটি আমস্টারডামের রিজেক যাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে। ধারণা করা হয় কামানটি ১৭৪০ এর দশকে ক্যান্ডির রাজাকে উপহার দিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার এক অভিজাত ব্যক্তি। কামানটি ১৭৬৫ সালে ডাচদের হাতে পড়ে বলে মনে করা হয়। ওই সময়ে ডাচ বাহিনী শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডি রাজ্য আক্রমণ করে দখল করে নেয়।

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights