আজ ২৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ এবং ১৯শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি

পঞ্চগড়ে স্বামীর খোঁজে ভারতীয় কন্যা, স্বামীকে না পেয়ে ফিরে গেলেন দেশে

  • In সারাবাংলা
  • পোস্ট টাইমঃ ২ ডিসেম্বর ২০২৩ @ ০৮:৩২ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ২ ডিসেম্বর ২০২৩@০৮:৩২ অপরাহ্ণ
পঞ্চগড়ে স্বামীর খোঁজে ভারতীয় কন্যা, স্বামীকে না পেয়ে ফিরে গেলেন দেশে
ছবি- বিডিহেডলাইন্স

মো. রনি মিয়াজী
পঞ্চগড় প্রতিনিধি।।

পঞ্চগড়ে স্বামীর খোঁজে এসে স্বামীর দেখা না পেয়ে নিরাশ হয়ে ফিরে গেলেন ভারতের এক কন্যা। ভারতীয় কন্যার নাম রিয়া বালা। বাড়ি ভারতের বর্ধমান জেলার অম্বিকা কালনা এলাকায়।

তিনি ওই এলাকার শ্যামল কান্তি বালার মেয়ে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই তরুণী প্রেমে পড়েন বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের শিবচন্ডী এলাকার অখিল চন্দ্র রায়ের ছেলে বিটু রায়ের।

প্রেমের এক পর্যায়ে বিটু রায় ভারতের জলপাইগুড়িতে গিয়ে প্রেমিকা রিয়া বালার সাথে দেখা করেন। গত ২১ সেপ্টেম্বর জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ থানার শিকারপুর এলাকায় তার পিসির বাড়িতে রিয়া বালাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তারা সেখানে ১ মাস বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন।

এক পর্যায়ে দেশে ফিরে আসেন বিটু রায়। দেশে ফিরে রিয়া বালার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এমনকি বিয়ের বিষয়টিও অস্বীকার করতে থাকেন। উপায় না দেখে স্বামীর খোঁজে গত ২৯ নভেম্বর বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন দিয়ে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বিটুর বাড়িতে যান রিয়া বালা।

তার আসার আগেই বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় বিটু। ১ ডিসেম্বর স্বামীর বাড়িতে নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোন করে সহযোগিতা চান ওই তরুণী। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়ে স্থানীয় নারী ইউপি সদস্যদের সহযোগিতা তাকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া থানার নারী ও শিশু সেলে থাকার ব্যবস্থা করেন। এ সময় বিটুর বাবা অখিল চন্দ্রও সাথে ছিলেন। তিনি ছেলে ফিরে আসলে তাকে নিয়ে ভারতে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন। শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি তাকে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত তাকে পৌছে দেন।

তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়া বলেন, ছেলেটি পালিয়ে থাকায় বিষয়টি সমাধান করা সম্ভব হয় নি। তবে ছেলের বাবা ছেলে ফিরে আসলে তাকে নিয়ে ভারতের যাওয়ার আশ্বাস দেন। পরে ওই ভারতীয় তরুণী দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। আমরা বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে গিয়ে তার বোনের কাছে তুলে দিয়েছি

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights