।।আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউস থেকে গত রবিবার একটি সাদা পাউডার জাতীয় পদার্থের সন্ধান পাওয়া যায়। যা প্রথমে ওয়াশিংটনের দমকল এবং জরুরি বিভাগের কর্মীদের নজরে পড়ে। যেটিকে কোকেন বলেই সন্দেহ করা হয়। মঙ্গলবার (৪ জুলাই) পরীক্ষার পর তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, হোয়াইট হাউসের পশ্চিম উইংয়ে এই পাউডার জাতীয় পদার্থের খোঁজ মেলে। যা কোকেন বলেই চিহ্নিত হয়েছে। এই ওয়স্ট উইং প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের থাকার জায়গায় ঠিক পাশেই। এখানেই রয়েছে ওভাল অফিস, ক্যাবিনেট রুম এবং প্রেস বক্স। প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর দফতরের আধিকারিকদের কর্মক্ষেত্র হিসেবেই চিহ্নিত এই ওয়েস্ট উইং। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই এই কোকোন উদ্ধারের ঘটনায় ভ্রু কুঁচকেছেন সকলেই।
প্রতিদিন শত শত কর্মচারী হোয়াইট হাইসের এই ওয়েস্ট উইংয়ে যাতায়াত করেন। ফলে কে বা কারা এই কোকেন জাতীয় পদার্থ ভিতরে নিয়ে এসেছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই হইচই পড়ে গিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পদার্থটি কোকেন বলেই নিশ্চিত করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য সেটি পাঠানো হয়। এদিকে, আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্স।
সিক্রেট সার্ভিসের এক মুখপাত্র একটি ইমেল মারফত বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন- সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে হোয়াইট হাউস। সিক্রেট সার্ভিসের ইউনিফর্মড ডিভিশন গত রবিবার সেখানে একটি সাদা পাউডার জাতীয় পদার্থ উদ্ধার করেছে। যা পরবর্তীতে পরীক্ষা করে কোকেন হিসেবেই চিহ্নিত হয়েছে। রুটিনমাফিক সিক্রেট সার্ভিসের একটি অভিযান চলছিল হোয়াইট হাউসের ভিতরে। সে সময়ই এই কোকেন জাতীয় পদার্থের দেখা মেলে। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে দেশে।
সিক্রেট সার্ভিসের ওই মুখপাত্র আরও বলেন- দমকলের ডিসি-র তরফে দ্রুত বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এই কোকেন ঠিক কতটা ক্ষতিকারক তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে কী ভাবে এই মাদক হোয়াইট হাউসের অন্দরে ঢুকল, কার মারফত তা ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এই সবটাই তদন্তসাপেক্ষ বলে মন্তব্য করেছেন সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র।
জানা গেছে, যেদিন কোকেন পাওয়া গিয়েছিল, সেদিন বাসভবনে ছিলেন না প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। অবসরে ছুটি কাটাতে পরিবার নিয়ে প্রেসিডেন্টশিয়াল রিট্রিট ক্যাম্পে গিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সকালেই হোয়াইট হাউসে ফেরেন সস্ত্রীক বাইডেন। আর তারপরই জানা যায়, উদ্ধার হওয়া সাদা পাউডার জাতীয় পদার্থ আসলে কোকেন। জানা গেছে, ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি প্রেসিডেন্টকে জানানো হয়েছে। তিনিও বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন।





















