আজ ২১শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ এবং ১৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

সবজির দাম চড়া, কাঁচা মরিচের ঝালও বেড়েছে

সবজির দাম চড়া, কাঁচা মরিচের ঝালও বেড়েছে
ছবি- ফাইল ছবি

এম আর মিলন
বিশেষ প্রতিনিধি।।

আসন্ন ঈদুল আযাহাকে কেন্দ্র করে সবজি ও মসলা বাজারে অনেক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। গতকাল, বিডিআরহাট ও আজকের গোশালা বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বেশ কিছু চিত্র উঠে এসেছে।

বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম তিন গুন বেড়েছে গত সপ্তাহের চেয়ে। গত সপ্তাহে যা ছিলো প্রতি কেজি ৬০-৮০ টাকা, তা কেজি প্রতি ১০০-১২০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। গত কয়েকদিনের ব্যবধানে ফের বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। আর মাছের দাম আগে থেকে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। আজকের বাজারেও তার ব্যতিক্রম নয়। মাছ কিনতে এসে ক্রেতারা হিমসিম খাচ্ছে।

সব মিলিয়ে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার বাজারে একটু ক্রেতার চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই মাছসহ সবজি সবই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে করে ক্রেতারা বাজারে এসে পড়ছেন অস্বস্তিতে। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন বিগত কয়েকদিনে টানা বৃষ্টির কারনে, গত তিন চারদিনে সবজির দাম অনেক বেড়েছে। ক’দিন আগেও দাম কিছুটা কম ছিলো। বর্তমানে পাইকারি বাজারেই সবকিছুর দাম বেশি, যার প্রভাব গিয়ে পড়েছে খুচরা বাজারে।

শুক্রবার (২৩জুন) বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে কাঁচা পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, বরবটি ৭০-৮০ টাকা, জালি কুমড়া প্রতি পিস ৪০-৫০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ৬০-৮০টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা, বেগুন ৬০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০-৪ টাকা, মিষ্টি কুমড়া সাইজ ভেদে প্রতিটি ৮০-৩০০ টাকা। এছাড়াও অন্যান্য সবজি প্রকার ভেদে প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বাজারে কয়েক মাস ধরে সব ধরনের মাছের দাম বাড়তি যাচ্ছে। বিক্রেতাদের ভাষ্যমতে, মাছের খাবারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পর থেকেই সব ধরনের মাছের দাম বেড়েছে। এছাড়া শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে মাছের চাহিদা বেশি থাকায় মাছের বেড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাঙাশ মাছ সাইজ ভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, শিং মাছ ৪৫০ টাকার উপরে। রুই মাছ ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, ছোট গুড়া মাছ (দেশী) প্রতি কেজি ৪০০-৫৫০ টাকা, চাষের কই ২৫০-৩০০ টাকা, বড় চিংড়ি ৬০০-৮০০ টাকা, বড় কাতল ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা প্রতি কেজি ৫৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, বোয়াল মাছ ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা, সিলভার কার্প(ছোট) প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে সহনীয় দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। গত সপ্তাহের মতো পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০টাকা। রসুনও আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা এক কেজি রসুন কিনতে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা দিতে হচ্ছে। আর দেশি রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা।
আর এদিকে মাংসের বাজার, দেশী ও ব্রয়লার মুরগীর দাম স্থীতিশীল রয়েছে।
তবে ডিমের দামে কিছু হেরফের লক্ষ করা গেছে। প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৮ টাকা দরে।

বেশ কিছু ক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, গত সপ্তাহের চেয়ে সবজি ও কাঁচা মরিচের দাম অনেক চড়া। নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনধারণ খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কাঁচা মালের দাম কখনোই স্থায়ীভাবে ধরে রাখা সম্ভব নয়। এটা সবসময় উৎপাদনের উপর নির্ভর করে। চাহিদা এবং যোগানের উপরে দাম ওঠা নামা করে।

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights