আজ ১৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ও ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ১লা সফর, ১৪৪৮ হিজরি

রংপুরে শীতের আগাম বার্তা

  • In বিশেষ সংবাদ
  • পোস্ট টাইমঃ ১৮ অক্টোবর ২০২৩ @ ০৩:৫৭ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ১৮ অক্টোবর ২০২৩@০৩:৫৭ অপরাহ্ণ
রংপুরে শীতের আগাম বার্তা

।।রংপুর ব্যুরো।।

সাধারণত হেমন্তের শেষে দেখা মিলে শীতের। কিন্তু হেমন্তের মাঝেই রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলে আগমনী বার্তা দিচ্ছে শীত। রাত হলেই সাদা কুয়াশায় ঘিরে যায় চারদিকে, এখনো দিনে গরম রাতে ঠান্ডা ভোরের সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে মিষ্টি রোদ আর সবুজ ঘাসের পাতার ওপর বিন্দু বিন্দু শিশির কণা দেখা যায়। সেই কণাগুলোর নিবিড় শব্দ মনে করিয়ে দিচ্ছে, শীত আসছে। শরতের হেমন্তকে পাশ কাটিয়ে যেন আগাম বার্তা দিচ্ছে শীত।

শনিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল থেকে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে রংপুরসহ আশেপাশের জেলাগুলোও ফলে সড়কে সকাল ৮টা পযন্ত হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে ছোট-বড় যানবাহন।

টিনের চালে শিশির বিন্দু পড়ার আওয়াজও বেশ জোরালো শব্দে কানে আসা শুরু করেছে। অনেক সময় আবার শোঁ শোঁ করে বাতাস বৌতে শুরু করে। মূলত পৌষ-মাঘ এই দু মাস শীতকাল দরা হলেও আশ্বিন কার্তিকের দিকেই শিতের আভাস দেখা যায়।

মধ্যরাতে শরীরের কাঁথা-কম্বলের প্রয়োজন- এমনটাই জানান দিচ্ছে কার্তিকের শীত। সকালে উঠানের ধারে দূর্বাঘাসের মাথায় শিশির কণা সূর্যের আলো পেয়ে রূপের ছটা দেখাচ্ছে। একইভাবে রূপ দেখাচ্ছে শিশিরে টয়টুম্বর কৃষকের পরম যত্নে আগলে রাখা সবুজ ধানের ক্ষেত। খড় দিয়ে বানানো পুতুল সাদৃশ বস্তুর উপর ধবধবে সাদা আলখাল্লা জড়িয়ে রাখা কাকতাড়ুয়াগুলোও কুয়াশায় ভয়ঙ্কর দেখাচ্ছে। ছোটছোট বাচ্চাদের কাপড় শোকানোর আনন্দও লক্ষ করানো যায় সকালে রোদ হাসার সময়। আবার কৃষক-কৃষাণীরা ফসলের মাঠে ভেজা মাটি হাতে নিয়ে সকালের সূচনা করে চলেছে। রাতের শেষবেলা থেকেই তারা দলবেঁধে মাঠে এসে শীতের সবজি উৎপাদনে নিজেদেরকে ব্যস্ত রাখছে। কেউ মাটি টিপে শস্যদানা রোপণ করে আবার কেউ মুগুর দিয়ে মাটি পিটিয়ে সমান করে। কেউ আগাম উৎপাদন করা সবজি নিয়ে দোকানে যাচ্ছেন।

গ্রাম বাংলার কৃষকরা বলছেন, আগাম শীত শুরু হওয়ায় পৌষ মাসি ফসল আলুর সময় সঠিক মাত্রায় কুয়াশা না হলে ফসল নষ্ট ও কম হয়। তবে এবারে কুয়াশা আর ঠান্ডা বেশি হতে পারে কারণ এখন তেকে মধ্যরাতে কম্বল গায়ে দিতে হয়।খেটে খাওয়া মানুষজন বলছেন, এখনে যে শীত লক্স করাযায় আগামীদিনে যে আরো কি হবে,যে সকল মানুষ কাজ করে খায় কুয়াশা আর ঠান্ডার কারণে কাজ করাটা অসম্ভব হবে বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।সেই সাথে স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের ঠান্ডার কারণে বিভিন্ন রোগের শিকার হতে হয়।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবাওয়াবিদ রংপুর অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজার রহমান বলেন, বাংলাদেশে তেমন কোনো ঋতুর পরিবর্তন দেখা যায়না। রংপুর হিমালয় কাছাকাছি হওয়ায় শীত আগাম চলে আসে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনেই এমনটি ঘটছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

শিরোনামঃ