আজ ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ৩০শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ এবং ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি

রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর, আওয়ামীলীগের প্রথম ডিজিটাল কার্যালয়ঃ

  • In সারাবাংলা
  • পোস্ট টাইমঃ ১৮ মে ২০২৩ @ ০১:০৪ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ১৮ মে ২০২৩@০১:০৪ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর, আওয়ামীলীগের প্রথম ডিজিটাল কার্যালয়ঃ

বিডিহেডলাইন্স ডেস্ক :

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় নির্মাণ করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর কমপ্লেক্স’। ছয় তলা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক কমপ্লেক্সটি দেশে আওয়ামী লীগের প্রথম ডিজিটাল কার্যালয়।

এর আগে এ ধরনের কোনও কার্যালয় দেশে স্থাপিত হয়নি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গৌরবময় ইতিহাসসহ বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার উদ্দেশ্য নিয়ে গড়ে তোলা হয় কমপ্লেক্সটি।

বাগমারা উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জ পৌর বাজারের চাঁনপাড়ায় স্থাপিত হয়েছে এই যাদুঘর কমপ্লেক্স। ২০০৮সালের ডিসেম্বরে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের উদ্যোগে এ ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ভবানীগঞ্জ তাহেরপুর সড়কের পাশে চাঁনপাড়ায় ১৩ শতাংশ জমি কিনে ছয়তলা বিশিষ্ট নিজস্ব ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এই ভবন নির্মাণের আগে ওই জমি প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। এরপরেই  শুরু হয় নির্মাণকাজ। সদস্য সংসদ এনামুল হকের সম্পূর্ণ নিজস্ব খরচে নির্মাণ করা হয়েছে ব্যয়বহুল ও অত্যাধুনিক এই কমপ্লেক্স। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর থেকেই এখানে প্রতিনিয়ত দর্শনার্থীরা আসছেন। বিশেষ করে তরুণ ও নতুন প্রজন্ম জানতে পারছে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সম্পর্কে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি সম্মান রেখে আওয়ামী লীগের ডিজিটাল এই কার্যালয়টির নাম রাখা হয়েছে “বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর কমপ্লেক্স”। এজন্য বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে অনুমতিও নেওয়া হয়েছে। এখানে রয়েছে বহুবিধ কার্যক্রমের ব্যবস্থা।

ছয় তলা এই ভবনটির পঞ্চম তলায় রয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্যের কার্যালয়। একইসঙ্গে রয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের পৃথক পৃথক দফতর। শুধু তাই-ই নয়, কমপ্লেক্সটির দ্বিতীয় তলায় রয়েছে ‘সালেহা-ইমারত মিলানায়তন’। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে ভবনটির একটি তলায় ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া তিন তলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গৌরবময় ইতিহাসসহ বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য গড়ে তোলা হয়েছে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর। সেখানে রয়েছে বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিময় ভাস্কর্য এবং দূর্লভ সব ছবি।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও এলাকার সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং উভয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করতে কমপ্লেক্সটি ভূমিকা রাখছে। এলাকার জনগণ তাদের সমস্যা যাতে সংসদ সদস্যকে কিংবা দলীয় প্রধানদের জানাতে পারেন সেজন্য এখানে একটি হেল্প ডেস্কেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভবনটির বিভিন্ন তলায় দ্রুত ওঠা-নামার জন্য রয়েছে লিফটের ব্যবস্থা। এখানে দিনে-রাতে পর্যায়ক্রমে তিন থেকে চার জন দায়িত্বে রয়েছেন। তারাই এর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করেন। এর ব্যয়ভারও বহন করেন সংসদ সদস্য এনামুল হক নিজেই। তবে ভবনটি উদ্বোধনের পর থেকে এলাকার জনগণ যে কোনও সমস্যার কথা তাদের জানালে তাৎক্ষণিক তা সমাধানের জন্যে সংশ্লিষ্ট শাখায় তা পাঠানো হয়ে থাকে।

২০১৩সালের ৫সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সটির উদ্বোধন করেন। ভবনটি উদ্বোধনের পর এখানে থেকে প্রতি সপ্তাহের একটি তালিকা তৈরি করে তা স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে পাঠানো হয়। এখানে সরকারের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ড এলাকাবাসীর সুবিধার জন্য বোর্ডে লিপিবদ্ধ থাকে। এমনকি এলাকার কী কী কাজ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে কী কী কাজ করা হবে তারও একটি তালিকা সাঁটানো আছে। এতে করে উপজেলাবাসীর কাছে স্পষ্ট হয় কোন উন্নয়নমূলক কাজটি এবার বাস্তবায়ন হচ্ছে, কোনটি আগামী বছর কিংবা তারপরে হবে সেটাও জানতে পারবেন এলাকার লোকজন। তাছাড়াও ভবনটির অন্যান্য তলায় হোটেল-রেস্টুরেন্টসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights