জাবির জাহিদ
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।।
আঞ্চলিক ও সামাজিক পর্যায়ে স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে জনসচেতনতা, প্রাথমিক অবস্থায় ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসা বিষয়ক দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হবে।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মস্থল ও সমাজভিত্তিক কার্যক্রমও পরিচালনা করা হবে। উক্ত কার্যক্রমটি প্রাথমিকভাবে কিশোরগঞ্জ জেলার ১৩টি উপজেলায় পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
কিশোরগঞ্জ জেলা শহর, পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দুর ইউনিয়ন ও ঢাকার সাভারে অবস্থিত মোট তিনটি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবা চালু করা হবে। টেলিমেডিসিনের সহায়তায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ নেয়ার ব্যবস্থাও থাকবে।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডাঃ হাবিবুল্লাহ তালুকদার নারীদের ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন। বিশেষ করে গ্রামীণ নারীদের অসচেতনতা ও সঙ্কোচবোধের কারণে ক্যান্সার অনেক দেরীতে ধরা পড়ে। ফলে চিকিৎসায় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবা এর উত্তরণ ঘটাতে পারে।
তিনি জানান, নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা আছে সমাজভিত্তিক চক্ষু সেবা প্রদানের। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সমাজভিত্তিক ক্যান্সার সেবার বাস্তব প্রয়োগে একটি দিশারী ভূমিকা পালন করতে পারে।
অধ্যাপক ডাঃ হাবিবুল্লাহ তালুকদার আরও জানান, দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশে কোন সংগঠিত ক্যান্সার স্ক্রিনিং কর্মসূচী নেই। অপরচুনিস্টিক বা অসংগঠিত স্ক্রিনিং চালু আছে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের হাসপাতালে শুধু জরায়ুমুখের ক্যান্সারের জন্য। নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কিশোরগঞ্জের জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলায় স্তন, জরায়ুমুখ ও মুখগহ্বরের ক্যান্সারের একটি সমন্বিত ও সংগঠিত স্ক্রিনিয়ের একটি পাইলট প্রকল্প চালু করা হচ্ছে।
ড. হালিদা হানুম আক্তার বলেন, নারীর ক্যান্সারের পাশাপাশি পুরুষদের ক্যান্সার নিয়েও কথা বলতে হবে, যাতে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা ক্যান্সার প্রতিরোধ, নির্ণয় ও চিকিৎসার বিষয়ে সচেতন হন।





















