আজ ১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ও ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ২৬শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ক্ষোভে বন্ধুকে ডেকে নিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৪

  • In আইন ও অপরাধ, সারাবাংলা
  • পোস্ট টাইমঃ ২ অক্টোবর ২০২৩ @ ০৬:৪৪ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ২ অক্টোবর ২০২৩@০৬:৪৪ অপরাহ্ণ
ক্ষোভে বন্ধুকে ডেকে নিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ৪
ছবি- বিডিহেডলাইন্স

আইয়ুব আলী
নীলফামারী প্রতিনিধি।।

বোনের নামে মিথ্যা বদনাম ও বন্ধুর বিয়ে ভেঙ্গে দেয়ায় ক্ষোভে বন্ধু মোর্শেদকে গাঁজা সেবনের কথা বলে ডেকে এনে হত্যা করে লাশ পুতে রাখে নদীর বালুতে। এ ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাকৃতরা হলেন, কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুরাকুটি মাষ্টারপাড়া এলাকার মামুনুর রশিদের ছেলে বাদশা আলমগীর (৩১), বাসোপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে ইব্রাহিম ইসলাম(১৯), নুরুজ্জামান ওরফে পেলকু মেম্বারের ছেলে সেলিম মিয়া(২৭) ও ময়নাকুড়ি এলাকার মামুদ আলীর ছেলে আনারুল ইসলাম (৩০)।

ঘটনার রহস্য উদঘাটন হওয়ায় সোমবার (০২ অক্টোবর) দুপুরে নীলফামারী পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন পুলিশ সুপার গোলাম সবুর।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার জানান, ‘হত্যার শিকার মোর্শেদুল ও আসামীরা গাজাসেবী ছিলেন। তারা এক সাথে মিলেমিশে গাজা সেবান করতো। তাঁদের মধ্যে টাকা নিয়েও বিরোধ ছিল।

মোর্শেদুল আসামী ইব্রাহিমের বোন পালিয়ে বিয়ে করেছে এমন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয় এলাকায় এবং আসামী সেলিমের বিয়েও ভেঙ্গে দেয়। মোর্শেদুলকে শায়েস্তা করতে পরিকল্পনা করেন আসামীরা।

গত ২৪ আগস্ট রাতে আসামী ইব্রাহিম গাঁজা সেবনের জন্য বন্ধু মোর্শেদুলকে ডেকে নিয়ে আসে।

মোর্শেদুল সেখানে আসলে তার উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে আসামিরা। পরে মোর্শেদুলের পড়নে থাকা কাপড় দিয়ে বস্তা বানিয়ে কারবলার ডাঙ্গা সংলগ্ন ধাইজান নদী খননের বালুর স্তুপে পুতে রাখে তাকে।

মৃত্যুর তিনদিন পর অজ্ঞাত ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ শনাক্ত না হওয়ায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেন।

তিনি বলেন, এরপর থেকে এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের ধরতে শুরু হয় পুলিশের অভিযান। গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার পল্লবী থানা এলাকা থেকে বাদশা আলমগীর, ২৪ সেপ্টেম্বর ইব্রাহিম, ২৭ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়ী থেকে সেলিম ও আনারুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ইব্রাহিম, সেলিম ও আনারুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা ঘটনার সাথে জড়িত স্বীকার করেছেন।

নিহত মোর্শেদুল কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুরাকুটি বাসোপাড়ার একরামুল হকের ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ রাজীব কুমার রায়, নীলফামারী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তানভীরুল ইসলাম, নীলফামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি তাহমিন হক ববী, সাধারণ সম্পাদক হাসান রাব্বী প্রধানসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

শিরোনামঃ