।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।
আগামী বছর থেকে নিজেদের অস্তিত্ব বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন স্বঘোষিত নাগোরনো-কারাবাখ রিপাবলিকের নেতা শ্যামভেল শাহরামানিয়ান। বৃহস্পতিবার এক ঘোষণায় তিনি জানান, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করে দেয়ার এক আদেশে সই করেছেন।
তিন দশকটি অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করেছে আর্মেনীয়রা। গত সপ্তাহে ২৪ ঘণ্টার অভিযানে তা দখল করে নেয় আজারবাইজান। এর সংখ্যাগরিষ্ঠ আর্মেনীয় জনগোষ্ঠীর অর্ধেকের বেশি এখন পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
আন্তর্জাতিকভাবে অঞ্চলটি আজারবাইজানের অংশ হিসেবে স্বীকৃত। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯০ দশকে আর্মেনিয়া এর নিয়ন্ত্রণ নেয়। শ্যামভেল শাহরামানিয়ান বলেছেন, বিলুপ্ত করে দেয়ার রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত ‘মানুষের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ এবং শারিরীক নিরাপত্তা প্রদানের অগ্রাধিকারের ভিত্তিকে’ নেয়া হয়েছে। আজারবাইজানের সঙ্গে তাদের সই করা চুক্তি অনুযায়ী বাসিন্দাদের স্বাধীনভাবে, স্বেচ্ছায়, বাধাহীন ভ্রমণের নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে।
নাগোরনো-কারাবাখের বাসিন্দাদের তিনি পুনঃরেকত্রীকরণের শর্তগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়া বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এই ইস্যুতে বাকু ও কারাবাখ কর্তৃপক্ষের আলোচনা শুরু হয়েছে। আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান আশা করছেন আগামী কয়েক দিনে নাগোরনো-কারাবাখে কোনো আর্মেনিয় বাকি থাকবে না।
নাগোরনো-কারাবাখ উপত্যকায় প্রবেশের গুরুত্বপূর্ণ পথে গত বছরের ডিসেম্বরে অবরোধ আরোপ করে আজারবাইজান। গত দশ মাস ধরে সেখানে অবরোধ কার্যকরের পর ২০ সেপ্টেম্বর যুদ্ধবিরতির চুক্তির মধ্য দিয়ে ২৪ ঘণ্টার যুদ্ধ শেষ হয়।
তবে কারাবাখের ১ লাখ ২০ হাজার আর্মেনীয় বাসিন্দার অনেকে আশঙ্কা করছেন ওই অঞ্চলে তাদের কোনো ভবিষ্যত নেই। নিকোল পাশিনিয়ানের অভিযোগ অঞ্চলটিতে জাতিগত নিধনযজ্ঞ শুরু হয়েছে। এই ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।





















