নয়ন দাস
শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।
শরীয়তপুরের চিতলিয়া ইউনিয়নে বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তায় গরুর গোবর ফেলে আটকানোর অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদ হাওলাদারের বিরুদ্ধে। এতে রাস্তাটি দিয়ে স্থানীয়দের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড কাশিপুর নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার পূর্বপাশে পরিবারের স্ত্রী, ছোট ছোট শিশু সন্তান নিয়ে বাস করছেন আব্দুর রশিদ। হঠাৎ করে গত ২২আগষ্ট থেকে তার বাড়িতে ঢোকার সরকারি রাস্তায় মোহাম্মদ হাওলাদার নামের এক ব্যক্তি পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গরুর ঘর থেকে গোবর ফেলে রাস্তাটি আটকে দিয়েছেন। এতে করে বাড়ি থেকে বের হওয়ার আর কোনো রাস্তা না থাকায় স্থানীয় স্কুল ও মাদ্রাসায় যেতে পারছেনা এলাকার ছোট ছোট শিশু শিক্ষার্থীরা। ভুক্তভুগী আব্দুর রশিদ সোনালী ব্যাংকের আংগারিয়া শাখার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদে চাকরী করছেন।
আব্দুর রশিদ বলেন, আমার বাড়ি আংগারিয়া ইউনিয়নের পরাসুদ্দির মধ্যে পড়েছে আর মোহাম্মদ হাওলাদারের বাড়ি চিতলিয়া ইউনিয়নের কাশিপুরে পড়েছে। আমার সাথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মোহাম্মদ হাওলাদার আমার বাড়িতে ঢোকার রাস্তায় গোবর ফেলে রাখায় আমার ছোট ছোট বাচ্চারা স্কুল, মাদ্রাসায় যেতে পারছেনা। আমি অফিসে যাওয়ার সময় খুব কষ্টে বের হই। বিষয়টি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যার ও চিতলিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম হাওলাদার সাহেবকে জানিয়েছি। আমি এঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এমন ঘটনায় কাশিপুর নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরও প্রতিনিয়ত পড়তে হচ্ছে দুভোর্গে। গোয়াল ঘরগুলো রাস্তার পাশে বানানোর ফলে স্থানীয়রা চলাচলে পড়ছেন চরম বিপাকে।
এমন ঘটনায় অভিযুক্ত মোহাম্মদ হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করতে তার বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে আংগারিয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যারর নিকট এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দরখাস্ত দিয়েছেন। স্যার বিষয়টি তদন্তের জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আগামীকাল আমি ঘটনাস্থলে যাবো।
এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম হাওলাদার বলেন, বিষয়টি আমরা দেখতেছি। আব্দুর রশিদ আবার নিজেরটা ভালো বুঝে, অন্যেরটা বুঝতে চায়না।
এঘটনায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জ্যোতি চন্দ্র বিকাশ জানান, ঘটনাটি আমি জেনেছি এবং আংগারিয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছি। পরবর্তী প্রয়োজনীয়ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















