।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।
১৫ বছর নির্বাসনে কাটিয়ে থাইল্যান্ডে ফিরেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা। দেশটির পরবর্তী নেতা নির্বাচনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি দেশে ফিরেছেন।
থাইল্যান্ডের সবচেয়ে সফল নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী বিবেচিত হয়ে থাকেন সিনাওয়াত্রা। তিনি দীর্ঘদিন রাজতন্ত্র অনুসারী রক্ষণশীলদের ভয়ে ছিলেন। এই রক্ষণশীলেরা সামরিক অভ্যুত্থানে সমর্থন দিয়েছে এবং সিনাওয়াত্রাকে দুর্বল করতে তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা চালিয়ে গেছে।
তবে এবার রাজনৈতিক-উচ্চাকাঙ্ক্ষী টেলিকম টাইকুন থাকসিন সিনাওয়াত্রা আগেভাগে নীরবে সেই ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি করেছেন, যিনি তাকে ২০১৪ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করেছিলেন। নিজেকে কারাগারের বাইরে রাখতে এই চুক্তি করেছেন তিনি। বিভিন্ন অপরাধের মামলায় তাকে দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তবে এসব অপরাধের অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছেন থাকসিন।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় নয়টার দিকে দুবাই থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে একটি ব্যক্তিগত বিমানে ব্যাংককে নামেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা। তাকে স্বাগত জানাতে বিপুল সংখ্যক সমর্থক জড়ো হলেও তাদের সামনে আসেননি সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
দুই মেয়ে ও ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে এয়ারপোর্টের টার্মিনালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য থাকসিন সিনাওয়াত্রাকে দেখা যায়। পরে তিনি রাজা ও রানির ছবিতে শ্রদ্ধা জানান। পরে তাকে সর্বোচ্চ আদালতে নেয়া হয়। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে দেয়া কারাদণ্ডের কারণে তাকে কারাগারে যেতে হবে কিনা-তা সেখানেই নির্ধারিত হবে। তবে তাকে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকতে হবে বলে মনে করছেন না কেউই।




















