।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের (এনএ) সদ্য সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা রাজা রিয়াজ জানিয়েছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধানে জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই অনুযায়ী নভেম্বরে নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু রিয়াজের বক্তব্য অনুসারে তারও তিনমাস পরে দেশটিতে নির্বাচন হবে।
বেলুচিস্তান আওয়ামী পার্টির (বিএপি) সিনেটর আনোয়ারুল হক কাকারকে পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্তের কয়েক ঘণ্টা পর শনিবার নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন রাজা রিয়াজ। জাতীয় পরিষদ ভেঙে দেয়ার তিন দিন পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেয়া হয়। এর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে।
পাকিস্তানের এবারের নির্বাচন বিলম্বিত হওয়া অনেকটা নিশ্চিত। ২০২৩ সালের শুমারি অনুযায়ী আসন পুনর্নির্ধারণে অন্তত কয়েক মাস সময় লাগবে। আর এবারে সীমানা পুনর্নির্ধারণ বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছে। আর পাকিস্তানের সদ্য সাবেক মন্ত্রিসভার সদস্যরাও নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছেন।
জিও নিউজের নয়া পাকিস্তান অনুষ্ঠানে রাজা রিয়াজ বলেন, বরাবরই অভিযোগ ছিল বেলুচিস্তান অধিকার বঞ্চিত রয়েছে। সেকারণে ওই প্রদেশ থেকে তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী বেছে নেয়া হয়েছে।






















