।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।
গত সপ্তাহের সামরিক অভ্যুত্থানের পর নাইজারের দূতাবাস থেকে কিছু কর্মী সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি থেকে ইতোমধ্যে হাজার হাজার বিদেশি নাগরিক সরিয়ে নেয়া হয়েছে। গত রবিবার দেশটির ফরাসি দূতাবাসে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা।
নাইজারের অভ্যন্তরীন বিষয়ে যেকোনো হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়েছেন অভ্যুত্থানের নেতা জেনারেল আবদুর রহমানে তিচিয়ানি। বিশ্বের শীর্ষ ইউরেনিয়াম দেশগুলোর অন্যতম নাইজার। এছাড়া উত্তর আফ্রিকা থেকে ভুমধ্যসাগর পাড়ি দেয়ার জনপ্রিয় অভিবাসন রুটও এই দেশটি।
নাইজারের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজুমের সঙ্গে বুধবার কথা বলেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, নাইজারে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার পুনর্বহালে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মার্কিন মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, আংশিক কর্মী সরিয়ে নেয়া হলেও নাইজারের রাজধানীতে নিয়ামিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস খোলা থাকবে। তিনি বলেন, আমরা নাইজারের জনগণ এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্কের প্রতি প্রতিশ্রুতিশীল থাকবো। আর আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগে সম্পৃক্ত থাকবো।
নাইজারে নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তা প্রদানকারী দেশগুলোর অন্যতম যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে দেশটি সতর্ক করে দেয় অভ্যুত্থানের কারণে সব সহযোগিতা বাতিল হয়ে যেতে পারে। নাইজারের সাবেক উপনিবেশিক শক্তি ফ্রান্স ও ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন ইতোমধ্যে আর্থিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা বাতিল করেছে।





















