।।মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি।।
মুন্সিগঞ্জ সদরে শশুরবাড়ি থেকে ময়না (৩৫) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে পঞ্চসার ইউনিয়নের আদারিয়াতলা এলাকায় বসতঘর থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে বাবার বাড়ির স্বজনরা। ৩ সন্তানের জননী নিহত ময়না স্থানীয় মো. জাকিরের স্ত্রী। স্বজনদের দাবি গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যার কথা বলা হলেও পরিকল্পিত ভাবে ময়নাককে হত্যা করেছে শশুরবাড়ির লোকজন। এঘটনায় স্বামী জাকিরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
স্থানীয় ও নিহতের স্বজনরা জানান, সদর উপজেলার চরমিরেশ্বরাই এলাকার আবুল হোসেনের মেয়ে ময়নার সাথে ১১বছর আগে জাকিরের বিয়ে হয়। সম্প্রতি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শশুরবাড়ির লোকজন নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিলো তাকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নার শশুরবাড়ির প্রতিবেশিদের মাধ্যমে মৃত্যু খবর পায় বাবার বাড়ির স্বজনরা। পরে শশুর বাড়ির বসতঘর থেকে ময়নার নিথর মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা।
পরিবারের অভিযোগ, ময়না গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করে শশুরবাড়ির লোকজন। তবে প্রতিবেশিরা জানায় আজ দুপুরে ময়নাকে সে বাড়ির লোকজন মারধর করেছে। মূলত নির্যাতন করেই তাকে মেরে ফেলা হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক এসএম ফেরদৌস জানান, মৃত অবস্থায় দুপুর আড়াইটায় ওই গৃহবধুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। তার গলায় গভীর ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা করেছে তার স্বজনরা। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট আসলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।






















