মুজাহিদ আল মুন্না
মেহেরপুর প্রতিনিধি।।
মেহেরপুরে জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে উন্নয়ন ও শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে শহীদ সামছুজোহা পার্কের নগর উদ্যানে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. ইয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাড. মিয়াজান আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মুজিবনগর উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়া উদ্দিন বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন, মেহেরপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম রসুল, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান, শিক্ষা ও মানব সম্পদ সম্পাদক এমএএস ইমন, জেলা যুবলীগের আহবায়ক ও মেহেরপুর পৌর মেয়র মাহাফুজুর রহমান রিটন।
সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরাহাদ হোসেন এমপি বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাড. ইয়ারুল ইসলাম বলেন, তৃণমূলকে বাঁচাতে হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর-১ আসনে দলীয় প্রার্থীর পরিবর্তন চাই তৃণমূল আওয়ামী লীগ। তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলকে নৌকার পক্ষে থাকতে হবে। তবে প্রার্থী উন্নয়নের পক্ষে নেই, তৃণমূলের পক্ষে তাদের আর চাইনা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব গোলাম রসুল বলেন, উন্নয়নের পক্ষে থাকতে হলে নৌকার বিকল্প নাই। আর তৃণমূলের পক্ষে থাকতে হলে মেহেরপুর ১ আসনে দলীয় প্রার্থীর পরিবর্তনের বিকল্প নেই। তাই আগামী নির্বাচনে মেহেরপুর-১ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে বাদ দিয়ে তৃণমূলে আওয়ামী লীগের ত্যালী নেতাদের মধ্যে থেকে যে কাওকে প্রার্থী করার আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুজিবনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিতে হবে। কিন্তু বর্তমান সংসদ সদস্যকে প্রার্থী করলে তাকে জিতিয়ে আনার ক্ষমতা আমাদের নেই। তাই তিনিও আগামী সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর ১ আসনে দলীয় প্রার্থীর পরিবর্তন চান।
সমাবেশে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের বিভক্তির জন্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী দায়ি বলে অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন, মিষ্টার প্রেসিডেন্ট আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির কোন মিটিং আপনি ডাকেন না, আলোচনা করেন না, মানুষের সাথে কথা বলেন না। দলের বিভক্তির জন্য আপনি দায়ী। এসময় তিনিও আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পরিবর্তন চান।
জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম পেরশানের সঞ্চলনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লাভলি ইয়াসমিন, মহিলা নেত্রী রেহেনা মান্নান, মুজিবনগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুল হাসান চাদু, সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, বুড়িপোতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রেজা, মহাজনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউর রহমান নান্নু, মেহেরপুর পৌরসভার ৬ নাম্বার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আরিফ হোসেন, ৪ নাম্বার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন, জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল আলম, জেলা পরিষদের সদস্য ইমতিয়াজ হোসেন মিরন, জেলা শ্রমিক লীগের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহনান বাবুল, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মফিজুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ- সভাপতি জসিউর রহমান বকুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠানিক সম্পাদক মাসুদ রানা।






















