আজ ১১ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ও ২৭শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ২৬শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

২৮ তারিখে সমাবেশের নামে বিএনপি পুলিশ হত্যা করেছে: হাছান মাহমুদ

  • In জাতীয়
  • পোস্ট টাইমঃ ৭ নভেম্বর ২০২৩ @ ০৩:৫২ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ৭ নভেম্বর ২০২৩@০৩:৫২ অপরাহ্ণ
২৮ তারিখে সমাবেশের নামে বিএনপি পুলিশ হত্যা করেছে: হাছান মাহমুদ

।।বিডিহেডলাইন্স ডেস্ক।।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং তথ‍্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘২৮ তারিখে সমাবেশের নামে বিএনপি পুলিশ হত্যা করেছে, ৩২ জন সাংবাদিককে আহত করেছে। যারা এগুলোর মূল হোতা, তাদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। আমরা জানি, তাদের কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে। তারা (বিএনপি) হিংস্র হায়েনার চেয়েও খারাপ। তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে লড়তে হবে। ১৯৭১ সালে যেভাবে পাড়ায় পাড়ায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছে, তেমনিভাবে এখন তাদেরও প্রতিরোধ করতে হবে।’

আজ মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে ব্রিগেড ৭১ আয়োজিত ‘ধর্মান্ধ ও স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলোর রাজনীতি এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা তিনি।

শেষ সন্ত্রাসীকে আইনের আওতায় আনার আগ পর্যন্ত এই গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘১৯৯৬ সালে নির্বাচিত হয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিরিয়ে আনার কাজে অনেকেটাই অগ্রসর হয়েছিলাম। ২০০১ সালে আবারও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আন্তর্জাতিক শক্তির সঙ্গে আতাত করে ক্ষমতায় আসে। দেশ আবার পিছিয়ে পড়ে। ২০০৮ সালে জনগণের ভোটে বিজয়ের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। সেই থেকে দেশ আজ পর্যন্ত দেশ উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে চলছে।’

কর্মসূচির নামে বাসে অগ্নিসংযোগ করে বিএনপি দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলি বাহিনী যে কায়দায় গাজায় হাসপাতালে আক্রমণ চালিয়েছে, একই কায়দায় পুলিশ হাসপাতালে আক্রমণ চালানো হয়েছে। রোগীবাহী অ্যাম্বুল্যান্সে হামলা চালিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরা (বিএনপি) কী মানুষ? এরা কী রাজনৈতিক কর্মী? এদের নেতারা কী রাজনৈতিক দলের নেতা? এরা জঘন্য সন্ত্রাসী। এটা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, রাষ্ট্রের উপর আঘাত।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ বলেন, ‘গাড়ি পোড়ানো কি কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হতে পারে? আমরাও বিরোধী দলে ছিলাম। আমরা রাস্তায় পিকেটিং করতাম। বড়জোর রিকশার টায়ারের পাম ছেড়ে দিতাম, তার চেয়ে বেশি কিছু নয়। এখন কর্মসূচি ঘোষণা করে অনলাইনের মাধ্যমে। সেই কর্মসূচির মূল হচ্ছে অবরোধের নামে গাড়ি-ঘোড়া পোড়ানো। মানুষের উপর আক্রমণ করা। এরা দেশ-জাতি-সমাজের শত্রু। এজন্যই তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। শেষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত এই গ্রেফতার অব্যাহত থাকবে। আমরা এদের নির্মূল করতে বদ্ধপরিকর।’

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

শিরোনামঃ