আইয়ুব আলী
নীলফামারী।।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ লেনদেনের ঘটনায় রিপন কুমার রায় নামে এক দালাল চক্রের সদস্যকে আটক করেছে নীলফামারী ব্যাটালিয়ন (৫৬ বিজিবি)।
আটক রিপন কুমার রায় সদর উপজেলার কচুকাটা ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সুবর্ণ রায়ের ছেলে।
সোমবার (৬ নভেম্বর) সংস্থাটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আসাদ্দুজামান হাকিম জানান, ঠাকুরগাঁও জেলার সিপাহি পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীগণকে দাপ্তরিক কাজের জন্য নথিপত্রসহ রোববার (৫ নভেম্বর) ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে ডাকা হয়। প্রার্থীগণের কাছে নথিপত্র চাওয়া হলে প্রার্থী মো. সুজাত আলী তা পারেনি।
প্রার্থী সুজাত আলী জানায়, বিজিবিতে নিয়োগের জন্য তার পিতা তাকে একটি দালাল চক্রের নিকট তার নথিপত্র জমা করে এবং দালাল চক্রকে ঘুষ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যাংকের ৩টি ব্ল্যাংক চেক ও ব্ল্যাংক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন। কিন্তু নিজ যোগ্যতায় বিজিবিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে জানার পর দালাল চক্রের নিকট তার নথিপত্র ফেরত চাইলে দালাল চক্র তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ ব্যাপারে তার পিতা ঠাকুরগাঁও জেলাধীন বালিয়াডাঙ্গী থানায় দালাল চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
এদিকে ৫৬ ব্যাটালিয়নের ক্যান্টিনে নীলফামারী সদরের শ্রী রিপন কুমার রায় নামের একজন আসলে সন্দেহ হলে তাকে আটক করা হয়।
পরে বিজিবির গোয়েন্দা সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং নির্বাচিত প্রার্থী সুজাত আলীর পিতা খয়রাত হোসেনের সঙ্গে রিপনের ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে অর্থ লেনদেনের তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়।
এছাড়াও তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে বিজিবিতে নিয়োগ সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর অর্থ লেনদেনের তথ্য রয়েছে।
ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল করে তাকে নীলফামারী সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।






















