।।বিডিহেডলাইন্স ডেস্ক।।
দক্ষিণ গাজার শহর খান ইউনিসে ইসরায়েলের বিমান হামলায় আজ রোববার (২২ অক্টোবর) সকালে অন্তত ১১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ফিলিস্তিনের স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল এ দফায় গাজার উত্তরে হামলার তীব্রতা বাড়াবে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর পথে এগুচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বলা হচ্ছে, এ অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের ওপর সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, গাজার দক্ষিণের শহর রাফাহর ওপরেও বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। সকালে খান ইউনিসে হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানান ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি। তিনি বলেন, ‘আমরা গাজা শহরে হামলা চালাতে থাকব এবং এর তীব্রতা বাড়াব।’
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার বিমান হামলায় এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৮৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৩ হাজারের বেশি। গাজার ২৩ লাখ বাসিন্দার মধ্যে ইতোমধ্যে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখ।
আর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে হামাসের হামলায় নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৪০০ জন, আহত হয়েছেন
ইসরায়েল বলছে, হামাসের হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৪ হাজার ৬২৯ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৬৩ জন সেনা ও পুলিশ সদস্য।
এদিকে চলমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে বিমান হামলা ঠেকাতে আরও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাঠানোর কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে আছে টার্মিনাল হাই অলটিচিউড এরিয়া ডিফেন্স (টিএইচএএডি) সিস্টেম ও বাড়টি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। মধ্যপ্রাচ্যে ইতোমধ্যে যেসব জায়গায় মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে, তাদের কাছে এসব উপকরণ পাঠানো হবে। সঙ্গে আরও সেনাকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।





















