।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।
গাজা উপত্যকার শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় একই পরিবারের ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলে নাসের আবু কোটা নামে এক ফিলিস্তিনির বাড়ির কাছে বিস্ফোরণে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এছাড়া ওই বিস্ফোরণে বাড়ির বাইরে থাকা তার আরও পাঁচ প্রতিবেশি নিহত হয়েছেন।
মিশর সীমান্তের কাছে রাফা এলাকায় ওই হামলা চালানো হয়। শনিবার ভোরে একাধিক ফ্রন্টে ইসরায়েলে ঢুকে পড়ে গুলি চালানো শুরু করে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গ্রুপ হামাস। রবিবার রাত পর্যন্ত দেশটিতে সাত শতাধিক ইসরায়েলি নিহত হয়েছে। এছাড়াও হামাস শতাধিক ইসরায়েলিকে বন্দি করে গাজা উপত্যকায় নিয়ে গেছে। এর জবাবে গাজায় বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল।
এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। ইসরায়েল বলছে, তারা হামাসের বিভিন্ন কার্যালয় এবং কমান্ড সেন্টারে হামলা চালিয়েছে।
তবে আবু কুটার বাড়িতে কেন হামলা হয়েছে তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তার ভবনে কোনো হামাস সদস্য ছিল না। এছাড়া তিনি ও তার পরিবারকে কোনো সতর্ক করা হয়নি। সতর্ক করা হলে তারা বাড়িতে থাকতেন না।
আবু কুটা বলেন, এটা এক নিরাপদ বাড়ি ছিল, নারী ও শিশুরাও ছিল। বিস্ফোরণের পর ধোঁয়া ভরে যায়। চিৎকার শুরু হয়। কোনো দেয়াল ছিল না। সব ফাঁকা হয়ে যায়।





















