আজ ১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ ও ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ এবং ১২ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

কক্সবাজারে আশ্রয়কেন্দ্রে হাজারো মানুষ, সৈকতে পর্যটকের ভিড়

  • In জাতীয়
  • পোস্ট টাইমঃ ১৩ মে ২০২৩ @ ০৩:২৫ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ১৪ মে ২০২৩@০১:১৮ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে আশ্রয়কেন্দ্রে হাজারো মানুষ, সৈকতে পর্যটকের ভিড়

বিডিহেডলাইন্স ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড মোখা মোকাবিলার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে খোলা আশ্রয় কেন্দ্রে শনিবার (১৩ মে) দুপুর ২টা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলার ৬২০টি আশ্রযকেন্দ্রে ৩২ হাজার ২২৭ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। শনিবার বিকেলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ৮৩৫টি গরু ও মহিষ, ১ হাজার ৩৯৫টি ছাগল ও ভেড়া এবং ১ হাজার ২৯৫টি অন্যান্য গবাদিপশু আনা হয়েছে।

অপরদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা দেখতে’ কক্সবাজার সৈকতে পর্যটকের ভিড় দেখা গেছে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাবে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। ঘূর্ণিঝড় মোখা কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। এজন্য সমুদ্র উপকূলে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা উচ্চতায় ঢেউ আছড়ে পড়ছে।

তবে মহাবিপদ সংকেত ও সৈকতে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঘূর্ণিঝড় মোখা দেখতে ভিড় করেছেন পর্যটকরা।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে সিপিপি বাস্তবায়ন বোর্ডের এক জরুরি সভা দুপুরে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে ব্রিফিংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের অভ্যন্তরীণ গতিবেগ, উপকূলের দিকে এগিয়ে আসার গতিবেগ এবং উপকূল থেকে দূরত্ব বিবেচনা করে আজ এ সভা থেকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, কক্সবাজার জেলার জন্য ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করা হবে। চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্র বন্দরের জন্য ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং মোংলা বন্দরের জন্য চার নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হবে।

নিউজ শেয়ারঃ

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

নিউজ শেয়ারঃ
শিরোনামঃ
Verified by MonsterInsights