।।খুলনা ব্যুরো।।
আজ ৮সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) বেলা ১২টায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানা প্রাঙ্গণে পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক , সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ১টি রিভালবার এবং ৭রাউন্ড গুলি, ১২বোর এর ২টি ভারী কার্তুজ, ১টি পিস্তল, ৪টি পিস্তলের ম্যাগজিন, ২৩রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ২টি ওয়ান শুটারগান এবং SLR এর ৩রাউন্ড গুলিসহ ১(এক) জন গ্রেফতার সংক্রান্তে সাংবাদিক সম্মেলনে করেন।

কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার বলেন- আপনারা জানেন যে, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ সবসময় অপরাধ দমন যানশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং নগরবাসীর সেবায় সর্বদা তৎপর। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশে আমি যোগদান করার পর থেকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার ও তাদের কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, জঙ্গি নাশকতা কারিদের গ্রেফতার এবং আলামত উদ্ধার, বিভিন্ন মামলার আসামি গ্রেফতার, পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে। গত পহেলা আগস্ট থেকে ইতিমধ্যেই আমরা ৪টি বিদেশী পিস্তল ১৫রাউন্ড গুলি বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ১৬টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছি এবং অনেক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পাশাপাশি নাশকতাকারী এবং বিভিন্ন মামলার সাজা প্রাপ্ত আসামিদের গ্রেফতার করেছি। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় আমাদের ডিসি ক্রাইম দক্ষিণ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এবং আমাদের সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মমতাজুল ইসলাম এর নেতৃত্বে একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ডালমিল মোড় সংলগ্ন ২৫/৩ বি কে রায় রোড বাইলেন সোনাডাঙ্গা মডেল থানা নিবাসী মোঃ শহিদুল ইসলাম এর পুত্র শরিফুল ইসলাম সোহাগ(৩৩) নামক এক যুবককে গ্রেপ্তার করে।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মমতাজুল ইসলাম বলেন – মহানগরীর বসতবাড়ির পূর্ব পাশের রুমের খাটের নিচ হতে আসামীর নিজ হাতে বাহির করে দেওয়া মতে ১টি রিভালবার এবং ৭রাউন্ড গুলি ১২বোর এর ২টি ভারী কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামীর দেওয়া তথ্য ও স্বীকারোক্তি মোতাবেক ৭সেপ্টেম্বর তারিখ রাত সাড়ে ১০টায় সোনাডাঙ্গা মডেল থানাধীন বি কে রায় রোড শেখপাড়া হক নাসিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিপরীতে অবস্থিত গ্রেফতারকৃত আসামীর দোকানের পূর্ব পাশের গোডাউন ঘরের ফাইল কেবিনেট হতে ১টি পিস্তল ৪টি পিস্তলের ম্যাগজিন ২৩রাউন্ড পিস্তলের গুলি ২টি ওয়ান শুটারগান এবং SLR এর ৩রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও বলেন- অবৈধ অস্ত্রধারী শরিফুল ইসলাম সোহাগ(৩৩) কে গ্রেফতারের মাধ্যমে আমরা এই মহানগরীর একজন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। গ্রেফতারকৃত অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী শরিফুলের জন্মস্থান মুন্সিগঞ্জ জেলায়। তিনি তার পরিবারের সাথে ছোটবেলা থেকে খুলনায় বসবাস করে আসছেন। খুলনার শেখপাড়ায় তার নিজের এলপিজি গ্যাসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। মূলত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে তিনি দীর্ষদিন যাবত অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা করে আসছিলেন। গ্রেফতারকৃত আসামী অস্ত্র কোথা থেকে এনেছে কে কে জড়িত আছে তার রহস্য উদঘাটনের জন্য পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে অস্ত্র ব্যবসার মূল উৎস উদঘাটন এবং কোথায় সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিলো এবং তার সাথে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা সে সংক্রান্তে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। গ্রেফতারকৃত আসামী শরিফুল ইসলাম সোহাগ এর বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
এসময় কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এএন্ডও) সরদার রকিবুল ইসলাম, বিশেষ পুলিশ সুপার রাশিদা বেগম, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, অতিঃ ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এ.জেড.এম তৈমুর রহমান, সহকারী পুলিশ কমিশনার ইমদাদুল হক এবং সোনাডাঙ্গা মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মমতাজুল হকসহ পুলিশ অফিসারবৃন্দ ও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।






















