।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।
বিদেশি নেতাদের জি২০ সম্মেলনের নৈশভোজের জন্য প্রেসিডেন্ট দ্রোপদী মুর্মুর পাঠানো আমন্ত্রণপত্রে ‘ইন্ডিয়া’ থেকে ‘ভারত’ নাম বদলে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার পাঠানো ওই চিঠি নিয়ে বিরোধীদের দাবি, এটা ক্ষমতাসীন বিজেপির রাজনৈতিক অভিলাষের প্রতিফলন।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে জি২০ রাষ্ট্রনেতাদের নৈশভোজের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দ্রোপদী মুর্মু। তবে এবার প্রথমবারের মতো ‘প্রেসিডেন্ট অব ভারত’ এর তরফ থেকে এই আমন্ত্রণ পাঠানো হয়। এর আগে এই চিঠি ‘প্রেসিডেন্ট অব ইন্ডিয়া’ নামে পাঠানো হতো।

এটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে নামকরণের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এবং অন্যান্য শীর্ষ বিশ্বনেতাদের আতিথ্যের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে দেশটি।
গুঞ্জন রয়েছে দেশের নাম বদল করতে পারে বিজেপি। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া পার্লামেন্টে পাঁচ দিনের বিশেষ অধিবেশনে এসংক্রান্ত আইন পাশ হতে পারে। এনিয়ে বিরোধীরা একের পর এক বৈঠক করেছে। তবে এই অধিবেশন থেকে বাইরে থাকার কথা অস্বীকার করেছেন নেতারা।
সমালোচনা সত্ত্বেও বিজেপি নেতারা বলছেন, ভারত নামটি সংবিধানের আর্টিকেল ১ এ রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ইন্ডিয়া, সেটাই ভারত, হবে রাজ্যের ইউনিয়ন। তবে বিরোধীরা বলছেন ২০২৪ এর নির্বাচনের আগে বিরোধীদের গঠন করা ইন্ডিয়া জোটের নামকরণের কারণে দেশের নাম পাল্টানোর উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। জোটের নেতারা কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খারগের বাসভবনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য বৈঠক করেছেন।





















