আজ ১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ও ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ২৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বিশ্ব ঐতিহ্য পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার মুল মন্দিরের চারপাশ জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে দর্শনার্থীরা

  • In বিশেষ সংবাদ
  • পোস্ট টাইমঃ ২৯ আগস্ট ২০২৩ @ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ২৯ আগস্ট ২০২৩@১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব ঐতিহ্য পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার মুল মন্দিরের চারপাশ জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে দর্শনার্থীরা

এস এম শফিকুল ইসলাম
জয়পুরহাট প্রতিনিধি।।

বিশ্ব ঐতিহ্য নওগাঁর বদলগাছির পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের মূল মন্দিরের চারিপাশ সামান্য বৃষ্টিতে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। মূল মন্দিরের দুটি পাম্প নষ্ট হওয়ায় এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে কতৃর্পক্ষ জানিয়েছে। এতে দর্শনার্থীরা স্বাভাবিকভাবে মূল মন্দিরের চারিপাশ ঘোরতে পারছে না।

দর্শনার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, আমরা অনেক দূর থেকে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার দেখতে এসেছি। বিহারের মূল মন্দিরের চার পাশ পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।আমরা কয়েক জন হাঁটুপানি ভেঙে মূল মন্দির দেখতে গিয়েছি। আমাদের সঙ্গে থাকা নারী দর্শনার্থীর যেতে পারেননি।

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার সূত্রে জানা গেছে, জাদুঘরের চেয়ে মুল মন্দির এলাকা অনেক নিচু। বর্ষা মৌসুমে সামন্য বৃষ্টিতে মূল মন্দির এলাকার চারিপাশে পানি জমে থাকে। এতে মূল মন্দিরে যাওয়ার রাস্তায় পানি ডুবে যায়। সেখানে দুটি পাম্প বসানো ছিল। পাম্প দুটি অকেজো হওয়ায় সেচ কাজ করা যায়নি। গত দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে মূল মন্দির এলাকার কোথাও তিন ফুট আবার কোথাও পাঁচ ফুট পানি জমে আছে। একারণে দর্শনার্থীদের মুল মন্দিরে যেতে সমস্যা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মুল মন্দরটিকে ঘিরে পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের মূল আকর্ষণ। দর্শনার্থীরা এসে মূল মন্দির দেখতে যান। বর্ষা মৌসুমে মূল মন্দিরে পানি জমে থাকত। বৃষ্টি থেমে গেলে দুটি পাম্প দিয়ে জমে থাকা পানি সেচ কাজ করত। এতে মুল মন্দিরে জলাবদ্ধতা থাকত না। গত দুই বছর ধরে দুটি পাম্প নষ্ট হয়েছে। এরপর থেকে বর্ষা মৌসুমে মূল মন্দিরের চারিপাশে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে দর্শনার্থীরা দুর্ভোগে পড়েছেন।

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার গেট সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সবুজ পারভেজ বলেন, বিশ্ব ঐতিহ্য পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের মূল মন্দিরের চারিপাশে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লুষ্ট কতৃপক্ষের দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার জাদুঘরের কাস্টেডিয়ান মোহাম্মদ ফজলুল করিম সামন্য বৃষ্টির পানিতে মূল মন্দিরের চারিপাশ জলাবদ্ধতা হওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, প্রতিদিন হাজার হাজার দেশি বিদেশি দর্শণার্থী পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার দেখতে আসেন। সামান্য বৃষ্টিতেই বিহারের চারপাশে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এই জলাবদ্ধতা প্রায় ৪-৫ মাস পর্যন্ত থাকে। এতে দর্শনার্থীদের কিছুটা ভোগান্তি হয়। বৌদ্ধবিহারে পানি নিষ্কাশনের জন্য তেমন কোন আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবস্থাও নেই। দুটি মটর থাকলেও যা দীর্ঘদিন যাবত অকেজো। পানি নিষ্কাশনের জন্য দ্রুত পাম্পের ব্যবস্থা করা হবে।

বদলগাছি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলপনা ইয়াসমীন বলেন, কাস্টেডিয়ানেরর সঙ্গে কথা বলেপাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের মন্দিরেরর চারপাশে পানি জমে জলাবদ্ধতা দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

শিরোনামঃ