হারুন-অর-রশীদ
ফরিদপুর প্রতিনিধি।।
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার দুটি ইউনিয়নবাসী মাইকে ঘোষণা দিয়ে হাজার হাজার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকার রণক্ষেত্র পরিণত হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার শিমুল বাজার এলাকার আশপাশে থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ বেলা ১২টা পর্যন্ত ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ, ঘারুয়া কালামৃর্ধা ও আজিমনগর ৩ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের প্রচেষ্টায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ৪-৫ দিন আগে আজিমনগর ইউনিয়ন পরিষদে পাতরাইল থানমাত্তা ও পুকুরপাড় গ্রামের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে এক শালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই শালিশ বৈঠক চলাকালে পাতরাইল থানমাত্তা গ্রামের ৪/৫ জন যুবককে পুকুরপাড় গ্রামের লোকজন মারধর করে। এর সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার সকাল দশটার সময় পাত্রাইল থানমাত্তা গ্রামের পক্ষ হয়ে কালামৃর্ধা ইউনিয়নের লোকজন এবং পুকুরপাড় গ্রামের লোকজনের আজিমনগর ইউনিয়নবাসী সমর্থন দেয়।
এতে দুই ইউনিয়নবাসীর মধ্যে হাজার হাজার সমর্থক সংঘর্ষের প্রস্তুত নেয়। সংঘর্ষের চলাকালে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যান্ডপার্টির বাদ্য বাজিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় । স্থানীয় তিন ইউপি চেয়ারম্যান ও পুলিশের সহযোগিতায় বড় ধরনের সংঘর্ষ থেকে রক্ষা পায়। এ ঘটনায় এলাকায় থমথম অবস্থা বিরাজ করেছে।
আজিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ৪-৫ দিন আগে আমার পরিষদে এলাকার অধিপত্য নিয়ে একটা শালিস বৈধক হয়। ওই শালিস বৈঠকে পুকুরপাড় গ্রামের কিছু লোক থানমাত্তা পাতরাইল গ্রামের কয়েকজন লোককে মারধর করে। এই নিয়ে ওই ঘটনার জের ধরে আজকের এই সংঘর্ষের রুপ নেয়। আমরা স্থানীয় ঘারুয়া, কালামৃর্ধা ও আজিমনগর তিন ইউপি চেয়ারম্যান মিলে পরিবেশ শান্ত করি।
কালামৃর্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল মাতুব্বর বলেন, আমার এলাকার লোকজন পাতরাইল থানমাত্তা গ্রামের সমর্থন দেয়। পরে আমিও তাদেরকে ফিরিয়ে দিয়েছি। তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে আল্লাহ হেফাজত করেছে।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়ারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। তবে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে আল্লাহ রক্ষা করেছে।






















