।।নিজস্ব প্রতিবেদক।।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ঢাকায় ১০ম দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ শুরু হয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুই দিন ব্যাপী এই সংলাপ অনুষ্ঠান চলবে। সংলাপ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে শেষ হবে।
এর আগে গত বছরের ১৬ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৯ম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। ২০১২ সাল থেকে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপের আয়োজন শুরু হয়।
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দুই দেশের সংলাপের বিষয়টি জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সংলাপে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, অপারেশনস ও পরিকল্পনা পরিদফতরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুসাইন মুহাম¥দ মাসীহুর রহমান, এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জেম্স থমাস জ্ন। এছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ কোস্টগার্ড বাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
আইএসপিআর জানায়, এই সংলাপের লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি করা। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সহযোগিতার ভিত্তি সুদৃঢ়। আমাদের এই সম্পর্ক বহুমাত্রিক, বহুমুখী এবং সর্বদা বিকশিত। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে প্রতিরক্ষা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণে সহযোগিতার প্রদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমাগত সহায়তার বিষয়টি সুস্পষ্ট। প্রতি বছর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অনেক সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকে। দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে একসাথে কাজ করে আসছে। দুই দেশের মধ্যে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সামরিক সফর বিনিময় সামরিক সহযোগিতার একটি অন্যন্য বৈশিষ্ট্য। এটি হতে যাচ্ছে দুই দেশের মধ্যে ১০ম দ্বিপাক্ষিক সামরিক সংলাপ। এই সংলাপে বৈশি¡ক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয় ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, দুর্যোগ মোকাবিলা, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম ইত্যাদি এবং প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ, পরিদর্শন, যৌথ অনুশীলন ও মোতায়েন, কর্মশালা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ইউএসএ প্রতিনিধিদলের প্রধান সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।





















