।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।
আফগানিস্তানের মানবাধিকার পরিস্থিতির ‘অবনতির জন্য দায়ী নীতিগুলো’ প্রত্যাহার করতে তালেবান শাসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে নারী, কিশোরী এবং দুর্বল জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
কট্টরপন্থী ইসলামিস্ট গ্রুপটির সঙ্গে কাতারে আলোচনার সময় আটক থাকা মার্কিন নাগরিকদের মুক্তিও দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তালেবান বলছে, তারা তাদের নেতাদের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চায়।
২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফিরে আসে তালেবান। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশটি থেকে বিশৃঙ্খলভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর ক্ষমতা দখল করে তালেবান।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দোহায় ‘সিনিয়র তালেবান প্রতিনিধি এবং দক্ষ পেশাজীবীদের’ সঙ্গে আলোচনা গত রবি ও সোমবার ধরে চলেছে। ‘আফগান জনগণের অধিকারকে সম্মান করার জন্য এবং ভবিষ্যত গঠনের জন্য তাদের কণ্ঠস্বরের দাবির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছে’ মার্কিন প্রতিনিধিরা।
যুক্তরাষ্ট্র চায় তালেবান মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষা এবং নারীদের চাকরির সুযোগ কেড়ে নেয়ার নীতি বাতিল করুক। ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র স্বীকার করেছে, আফগান বেসামরিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ব্যাপকভাবে কমে গেছে। এছাড়া আফগান ভূমি ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের ওপর হামলা চালাতে না দেয়ার প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রেখেছে তালেবান।
তবে তালেবান বলেছে তারা চায় আফগানিস্তানের জব্দ করা সম্পদ ফিরিয়ে দেয়া হোক। ২০২১ সালে আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্র।
বিগত দুই দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে তীব্র শত্রু ছিল তালেবান। ৯/১১ হামলার পর আফগানিস্তানে হামলা চালিয়ে তাদের ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্ররা। দুই বছর আগে সবশেষ মার্কিন সেনা আফগানিস্তান ছেড়ে যাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যে ক্ষমতা দখল করে তালেবান। কোনো দেশই তালেবান প্রশাসনকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে তারা দেশটিতে ডি ফ্যাক্টো সরকার পরিচালনা করছে।





















