আজ ২১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ও ৬ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ৮ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

হৃদরোগের চিকিৎসায় হার্টের রিংয়ের দাম কমলো, সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর

  • In জাতীয়, স্বাস্থ্য
  • পোস্ট টাইমঃ ২৫ জুন ২০২৩ @ ০৯:৪৮ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ২৫ জুন ২০২৩@০৯:৪৮ অপরাহ্ণ
হৃদরোগের চিকিৎসায় হার্টের রিংয়ের দাম কমলো, সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর
ছবি- ফাইল ছবি

।।নিজস্ব প্রতিবেদক।।

হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দুটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের হার্টের রিংয়ের (স্টেন্ট) দাম ১৫ হাজার টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। এরমধ্যে দুটি রিংয়ের নতুন দাম আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে এবং অন্যটির দাম পরে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে জানিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর।

রোববার ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মহাপরিচালক বলেন, ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাবোট ল্যাবরেটরিজ, বস্টন সায়েন্টিফিক- এই দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে রোববার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।আর  বৈঠকে হার্টের চিকিৎসায় ব্যবহৃত স্টেন্টের দাম কমানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আলোচনার পর দুটি প্রতিষ্ঠান তাদের তিনটি স্টেন্টের দাম কমাতে সম্মত হয়।

মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, অ্যাবোট ল্যাবরেটরিজের তৈরি স্টেন্ট জায়েন্স প্রাইমের ভিত্তিমূল্য ৫৬১ ডলার থেকে ৪২৫ ডলার হয়েছে, এক্সপেডিশনের বর্তমান ভিত্তিমূল্য ৮৩০ ডলার থেকে কমিয়ে ৬০০ ডলার হবে। আর বস্টন সায়েন্টিফিকের প্রোমাস প্রাইমার নামে একটি স্টেন্টের ভিত্তিমূল্য ৫৭০ ডলার থেকে কমে ৪৭০ ডলার হবে।
তিনি আরও জানান, অ্যাবোটের তৈরি স্টেন্ট সিনার্জির দাম ১২০০ ডলার থেকে কমিয়ে ৯০০ ডলার এবং প্রোমাস এলিটের দাম ৯০০ ডলার থেকে কমিয়ে ৬০০ ডলার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কোম্পানির প্রতিনিধিরা বলেছেন, তারা তাদের প্রধান কার্যালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

মহাপরিচালক  বলেন, স্টেন্টের দাম কমানোর জন্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক করেছে ডিজিডিএ। তাদের বোঝানো হয়েছে এসব স্টেন্টের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের মানুষের কষ্ট হচ্ছে। আপনারা যদি দাম না কমান তাহলে আমরা অন্য দেশের অন্য প্রোডাক্ট নিয়ে আসব, আপনাদের প্রোডাক্টগুলো আমরা এনকারেজ করব না। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলো এসব স্টেন্ট ভারতে আরও কম দামে দিচ্ছে। আমরা বলেছি, আপনারা ভারতে এই দামে দিতে পারলে আমাদের দিতে পারবেন না কেন? তাদের যুক্তি ভারতে তাদের অনেক বড় বাজার, যেখানে খরচ কম। আমাদের এখানে বাজার ছোট বলে তাদের পরিচালনা ব্যয় বেশি হয়ে যায়।

মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, এক্সপেডিশনের দাম সেপ্টেম্বরেই কমবে না। প্রতিষ্ঠানটি পর্যায়ক্রমে দাম কমিয়ে ৬০০ ডলারে নিয়ে আসবে। স্টেন্টের ভিত্তিমূল্যের সঙ্গে ভ্যাট, ট্যাক্স, মুনাফাসহ আরও ৪২ শতাংশ অর্থ যোগ করে গ্রাহক পর্যায়ে দাম ঠিক করা হয়। সে জায়গায়ও খরচ আরও কিছুটা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

শিরোনামঃ