আজ ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ও ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ৮ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

বরগুনায় ৭ নম্বর সতর্কতা সংকেত, প্রস্তুত ৬৪২ আশ্রয়কেন্দ্র

  • In জাতীয়
  • পোস্ট টাইমঃ ১৭ নভেম্বর ২০২৩ @ ০২:৩০ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ১৭ নভেম্বর ২০২৩@০২:৫১ অপরাহ্ণ
বরগুনায় ৭ নম্বর সতর্কতা সংকেত, প্রস্তুত ৬৪২ আশ্রয়কেন্দ্র
ছবি- বিডিহেডলাইন্স

।।বরগুনা প্রতিনিধি।।

বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় মিধিলি’র প্রভাবে বাতাসে গতিবেগ বাড়ার সাথে সাথে বেড়েছে বৃষ্টিপাতের মাত্রা।

শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সকালে মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সকাল সাড়ে দশটার পর থেকেই বেলা বাড়ার সাথে সাথে বরগুনায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হয়ে অব্যহত রয়েছে।

নদীতে ভাটা থাকায় পানি এখনও বিপদসীমার নিচে থাকলেও জোয়ারের সময় পানি স্বাভাবিকের থেকে বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে আরো জানা গেছে, ঘুর্ণিঝড় মিধিলি আজ দুপুরের দিকে পিরোজপুর, বরগুনা, ঝালকাঠি ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা অতিক্রম সম্পন্ন করতে পারে। সিস্টেম এর আশেপাশে ঘন্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়েযাচ্ছে।

এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়া সহ ভারি বর্ষন হতেপাতে।পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ঘূর্নিঝড়টি ৩৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করায় শুরু হয়েছে দমকা হাওয়া।

জেলা প্রশাসনের দেয়া তথ্য মতে, জেলায় ৬৪২টি আশ্রয় কেন্দ্র ৩টি মুজিব কেল্লা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগকালীণ সময় স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য ৫০টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধগুলোর ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ প্রস্তুত রেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বরগুনায় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ৯ হাজার ৬১৫জন স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় মিধিলি মোকাবেলায় ৬ লক্ষ ৫০ হাজার নগদ টাকা, ৪৩০ মে.টন চাল, ৯৬ বান্ডিল ঢেউটিন, ২০০০ পিস কম্বল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুত কর্মসূচি (সিপিপি) টিম লিডার জাকির হোসেন মিরাজ বলেন, বরগুনা উপকূলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার দিনভর ঘুরে বৃষ্টি হলেও, আজ (শুক্রবার) বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভারী বর্ষণ হচ্ছে। দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের আগে অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে গাছপালার গোড়া নরম হয়ে যায়। সবাইকে নিরাপদে থাকতে হবে।

বরগুনার জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আমরা সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ঘূর্ণিঝড় পূর্ববর্তী উদ্ধার অভিযান প্রচারণা ক্ষেত্রে আমরা ব্যাপক জোর দিয়েছি। যাতে কোনো মানুষ হতাহত না হয়।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টায় এক জরুরী প্রস্তুতিমূলক সভা করে গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে উপকূলে ফিরিয়ে নিয়ে জন্য মৎস্য বিভাগ ও ট্রলার মালিকদের নির্দেশনা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

শিরোনামঃ