আজ ১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ও ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ২৫শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

হাতীবান্ধায় রাস্তার সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে

  • In সারাবাংলা
  • পোস্ট টাইমঃ ৭ অক্টোবর ২০২৩ @ ০৫:৩৯ অপরাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ৭ অক্টোবর ২০২৩@০৫:৪৪ অপরাহ্ণ
হাতীবান্ধায় রাস্তার সরকারী গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে

শাহিনুর ইসলাম প্রান্ত
স্টাফ রিপোর্টার।।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় সরকারি রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে লিটন নামে এক ইউপি সদস্যসহ আরো দুই জনের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামান সোহেল। অভিযুক্ত লিটন ওই উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য।

জানা গেছে, উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজগর আলীর সাথে ১৯৯৮ সালে ওই ইউনিয়নের ফেডারেশনের বিভিন্ন রাস্তায় ইউক্লিপ্টার্স গাছ লাগানোর চুক্তি হয়। পরবর্তীতে ওই গাছগুলি কর্তন করার জন্য ফেডারেশন ও ইউপি চেয়ারম্যান অনুমতি নিলেও আদালতের এক আদেশে গাছ কর্তন বন্ধ রাখা হয়। এমতবস্থায় গত ৪ অক্টোবর রাতে ফকির পাড়া ইউপি সদস্য রুহুল কুদ্দুস লিটন, আব্দুর রহমান সহ কয়েকজনের যোগসাজশে বুড়াসারডুবি মৌজাস্থ কাঁচা রাস্তার দুই পার্শে থাকা বড় বড় কয়েকটি গাছ কেটে নিয়ে যায়। যার মুল্য ৮০ হাজার টাকা, এ খবর পেয়ে বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থানায় অভিযোগ দিলে। পুলিশ গিয়ে একটি গাছ উদ্ধার করে ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে জমা রাখেন।

তবে অভিযোগ রয়েছে গ্রাম পুলিশ ও লিটন মেম্বারের সহযোগিতায় চুরি করা উদ্ধার কৃত গাছ পরিষদ নেওয়ার সময় পরিবর্তন করে মোটা গাছ পরিবর্তন করে চিকন গাছ জমা করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রুহুল কুদ্দুস লিটন গাছ কাটার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার নামে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে ।

বড়খাতা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামান সোহেল জানান, ইউপি সদস্য রুহুল কুদ্দুস লিটন ও তার সহযোগিরা রাতের আধারে গাছ কাটতে থাকলে খবর পেয়ে আমি পুলিশকে খবর দেই। পরে পুলিশ গিয়ে একটি গাছ উদ্ধার করে ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেন। এ নিয়ে আমি উপজেলা নিবাহী অফিসার ও হাতীবান্ধা থানায় তিনজনকে আসামী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।

এবিষয়ে ফকির পাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফজলার রহমান খোকন বলেন একটি গাছ আমার পরিষদে জমা বাকিগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

হাতীবান্ধা থানার পরিদশর্ক (এসআই) বাবুল হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজির হোসেন বলেন, সরকারি রাস্তার গাছ কাটার বিষয়টি জেনেছি তদন্ত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

শিরোনামঃ