মিঠু মুরাদ
স্টাফ রির্পোটার।।
লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরে পাওনা টাকা নিয়ে লোড-আনলোড শ্রমিক ও সর্দারদের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ অন্তত ১৫জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত তিনজনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সকাল থেকে বিরাজ করা উত্তেজনা বিকেল তিনটার দিকে সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। সদর ইউএনও ঘটনাস্থলে গেলে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাঁচ ঘন্টা ধরে অবরুদ্ধ হয়ে আছেন।
জানা গেছে, শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি নিয়ে শ্রমিক সর্দারদের বিরোধের জেরে গতকাল উত্তেজনা ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। পরে ইউএনও ঘটনাস্থলে গিয়ে আগামী ১৬ তারিখের পর বিষয়টি সুরাহার আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
কিন্তু আজ সকাল থেকে আবারও উভয় পক্ষের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে পাটগ্রামের ইউএনও নুরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গেলে দুপুর ১২টা থেকে তাঁকে উদ্ভিদ সংঘ নিরোধ অফিসে অবরোধ করে রাখা হয়েছে।
এই অবস্থায় বিকাল তিনটার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে লাঠিসোঠা ও দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে এক সাংবাদিকসহ অন্তত দশ শ্রমিক আহত হন। আহতদের পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে সেখান থেকে তিনজনকে পাঠানো হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
সংঘর্ষের কারণে পাটগ্রাম-বুড়িমারী মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বন্ধ হয়ে পড়েছে বুড়িমারী স্থলবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
পুলিশ সংঘর্ষ থামাতে কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুঁড়লেও মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে আছে উভয় পক্ষ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে।
পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আমি অবরুদ্ধ হয়ে আছি থানা পুলিশ, ওসি, সহকারী কমিশনার (ভুমি) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শ্রমিক নেতাদের সাথে কথা বলছেন।






















