।।প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।
জার্মানির বার্লিনে বিকেএমইএ এবং জার্মানির ফেডারেল মিনিস্ট্রি অব ইকোনমিক্স অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাকশনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ২৮ আগস্ট ২০২৩ তারিখে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। এ সময় বাংলাদেশের নিটওয়্যার খাতের প্রতিনিধিত্ব করেন বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, অমল পোদ্দার, মোহাম্মদ রাশেদ ও পরিচালক মো. সামসুজ্জামান।
জার্মান সরকারের পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্ব দেন জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রির স্টেট সেক্রেটারি মাইকেল কেলনার। বার্লিনে বাংলাদেশ দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম সভার সমন্বয় করেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে নতুন প্রবর্তিত জার্মান ডিউ ডিলিজেন্স আইন, ভবিষ্যত বাণিজ্যে এর গুরুত্ব, নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি, সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব, নতুন জিএসপি প্লাসসহ অন্যান্য বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
কোভিড পরবর্তী বর্তমান অবস্থা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে কি ধরনের প্রভাব ফেলেছে সে বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
জার্মানির বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির সম্ভাবনা বৃদ্ধির জন্য এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠককে একটি মাইলফলক হিসেবে বর্নণা করেছেন বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দ।বিকেএমইএ’র প্রতিনিধিদেরকে স্বাগত জানানোয় জার্মানির ফেডারেল মিনিস্ট্রির প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। বাংলাদেশের পোশাক খাতকে আরও নিরাপদ এবং টেকসই করার জন্য বিকেএমইএ সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি বাংলাদেশে নিটওয়্যার খাতের উন্নয়নে ডিউ ডিলিজেন্স প্রক্রিয়াটিকে সহজ করতে জিআইজেড এর সহযোগিতার জন্যও ধন্যবাদ জানান।
সহ-সভাপতি শামীম এহসান বলেন, আমরা জার্মান ডিউ ডিলিজেন্স অ্যাক্ট সম্পর্কে সচেতন এবং সে অনুযায়ী আমরা জিআইজেডের সহায়তায় আমাদের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য বিকেএমইএ তে রেসপনসিবল বিজনেস হাব চালু করেছি। তিনি জিএসপির গ্রেস পিরিয়ড বাড়ানোর জন্য জার্মান সমর্থনের অনুরোধ জানান।





















