হারুন-অর-রশীদ
ফরিদপুর প্রতিনিধি।।
ফরিদপুরের আলোচিত দুই হাজার কোটি টাকা পাচার মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামী ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানকে (৪৭) কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।
বুধবার (৩০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুরের সিনিয়র জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আকবর আলী শেখ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
একইদিন বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুর কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আবুল খায়ের।
এর আগে গত ০৯ আগস্ট ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় চাঁদাবাজী ও নীতি বহির্ভূতভাবে একশত কোটি বায়ান্নো লক্ষ ছিয়াত্তুর হাজার টাকা উপার্জন করার অপরাধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ দমন আইন ২০১২ (সংশোধনী/২০১৫) এর ৪(২) ধারায় একটি মানিলন্ডারিং মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি করেন ফরিদপুর সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক নাসির উদ্দিন। মামলায় সিদ্দিকুর রহমানকে প্রধান করে ৫ জনকে আসামী করা হয়।
ফরিদপুর কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আবুল খায়ের বলেন, আসামী সিদ্দিকুর রহমান উচ্চ আদালত থেকে ৪ সপ্তাহের এন্ট্রি সেক্টরে জামিন নিয়েছিলেন। বুধবার (৩০ আগস্ট) ফরিদপুর জজকোর্টে আত্মসমর্পণ করার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এ মামলায় অন্য আসামীরা হলো- সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাই ও সাবেক সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, ফরিদপুর শহর আওয়ামীলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত (৪৭), বরকতের ছোট ভাই ও ফরিদপুর প্রেসক্লাবের বহিষ্কৃত সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেল (৪৫) এবং সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস এএইচএম ফুয়াদ। বর্তমানে এই ৪ আসামী দুই হাজার কোটি টাকার মানিলন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আসামী সিদ্দিকুর রহমান টেন্ডার বাণিজ্য এবং হাতুরী বাহিনী গঠন করে অপর আসামীদের সহযোগিতায় নানা অপকর্মের মাধ্যমে জ্ঞাত বহির্ভূতভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হয়। সিদ্দিকুর রহমান ফরিদপুরের আলোচিত দুই হাজার কোটি টাকা পাচার মামলার সম্পূরক চার্জশিটভুক্ত আসামি।





















