রফিক প্লাবন
দিনাজপুর প্রতিনিধি।।
দিনাজপুরে ঘুড়ি উড়ানোর সময় ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত অবস্থায় ১ মাস আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থেকে প্রাণে বেঁচে গেলেও বর্তমানের আগের কিছু মনে করতে পারছেন না ২য় শ্রেনির শিক্ষার্থী মো. আরাফাত (৯)। তবে ছেলে বেঁচে আছেন এতেই খুশি দরিদ্র বাবা-মা। এদিকে আরাফাতের সার্বিক খোজ খবর নেয়া এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি।
মঙ্গলবার রাতে ইকবালুর রহিম এমপি’র নির্দেশনায় শিশু আরাফাতকে দেখতে কালিতলাস্থ তার বাসায় যান দিনাজপুর শহর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও উদীচী দিনাজপুর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক সত্য ঘোষ, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান জুয়েল, ৫নং ওয়ার্ড অন্তর্গত আওয়ামী লীগের শাখারীপট্টি মহল্লা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আহমেদ শিপন।
এসময় আরাফাতের বাবা অটোচালক মো. রফিকুল ইসলাম ও মা আনোয়ারার হাতে ফলমুল তুলে দেন এবং আরাফাতের সার্বিক খোজ খবর নেন।
সত্য ঘোষ জানান, মো. আরাফাত শহরের শাখারীপট্টিস্থ শের ই বাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেনির ছাত্র। সে গত ৩ জুলাই ২০২৩ তারিখে ঘুড়ি উড়ানোর জন্য সবার অজান্তে উদীচী দিনাজপুর জেলা সংসদ কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকে ৩ তলার ছাদে উঠে যায়। ছাদে ঘুড়ি উড়ানোর এক পর্যায় পা পিছলে নিচে পড়ে যায় আরাফাত। এসময় শিপন ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আরাফাতকে সাথে সাথে এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। তার সাথে ছিলেন জুয়েল। এরপর আইসিইউতে তার চিকিৎসা চলে ১ মাস। তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি।
আরাফাতের বাবা রফিকুল ইসলাম ও মা আনোয়ারা কাঁদতে কাঁদতে জানান, আরাফাত বর্তমানে হাটতে পারছেন না। আগের তেমন কিছু মনেও নেই তার। তবে তার সাথে খেলা করলে সে হাসে। আমরা এতেই খুশি। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি যে আমাদের সন্তানকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিয়েছেন। আর হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি, সত্য ঘোষ, জুয়েল, শিপনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।






















