আজ ১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ও ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ২৫শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

নীল নদের বাঁধ ছাড়ায় ক্ষুব্ধ মিশর

  • In আন্তর্জাতিক
  • পোস্ট টাইমঃ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ @ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ ও লাস্ট আপডেটঃ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩@১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
নীল নদের বাঁধ ছাড়ায় ক্ষুব্ধ মিশর

।।ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক।।

বিতর্কিত নীল নদের বাঁধ নিয়ে ফের বিবাদে জড়িয়েছে ইথিওপিয়া এবং মিশর। বাঁধের রিজারভার পূর্ণ হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইথিওপিয়া। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে মিশর।

বাঁধটি বিরোধ মূলত তিন দেশের। ২০১১ সালে বাঁধটি চালু করার পর থেকে ইথিওপিয়ার সঙ্গে মিশর ও সুদানের বিরোধ শুরু হয়। নিজেদের জন্য পানির প্রায় পুরোটাই নীল নদের ওপর নির্ভর করে মিশর।

মিশরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ভাটির দেশের দেশগুলোর স্বার্থের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাচ্ছে না ইথিওপিয়া। আর ইথিওপিয়া বলছে, ৪.২ বিলিয়ন ডলারের বাঁধটির কারণে কোনো দেশের পানিতে কম পড়বে না।

এক এক পোস্টে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে রেনেসাঁ বাঁধের চতুর্থ এবং চূড়ান্ত ভরাটের সফল সমাপ্তি ঘোষণা করছি। তিনি স্বীকার করেন প্রকল্পটি অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বাঁধার মুখে পড়েছে। কিন্তু সব বাঁধা উৎরে যাওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানান তিনি। ২০২২ সালের ফ্রেব্রুয়ারি থেকে বাঁধটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়।

ইথিওপিয়া বিশ্বাস করে গ্রান্ড ইথিওপিয়ান রেঁনেসা বাঁধ তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিগুণ করবে। ১২ কোটি ৭০ লাখ জনগোষ্ঠীর মধ্যে অর্ধেকই বিদুৎহীন থাকে ইথিওপিয়ায়। এমন দেশে এই বিপুল উৎপাদনের হাতছানি তাদের বাঁধ নির্মাণে বিনিয়োগে উৎসাহিত করেছে।

পরিকল্পনা হচ্ছে বাঁধটি থেকে ছয় হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন। সুদান সীমান্ত থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে এই বাঁধের অবস্থান।

মিশর ‍ও সুদানের যুক্তি হচ্ছে বাঁধ পরিচালনার সাধারণ নিয়ম অবশ্যই মানতে হবে। তাদের আশঙ্কা বিদ্যুৎ উৎপাদনে মরিয়া ইথিওপিয়ার কারণে তাদের বিদ্যমান পানির সংকট আরও বাড়িয়ে তুলবে। প্রজেক্টটি নিয়ে আলোচনা গত মাসে আবার শুরু হয়। এই আলোচনা ২০২১ সালে স্থগিত হয়।

আরও সংবাদ

জনপ্রিয় সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

আলোচিত সংবাদ

শিরোনামঃ